কল্যাণপুর স্কিম ২ এলাকার বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী করোনা আক্রান্ত
আসানসোল , বেঙ্গল মিরর, 27, জুলাই 2020, সৌরদীপ্ত সেনগুপ্ত: পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বেশ কিছুদিন থেকেই করোনা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আসানসোলের ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কল্যাণপুরের স্কিম ২ এলাকায় ১ জন বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। বর্তমানে কলকাতার পিয়ারলেস হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন। বিষয়টি ওই সংগীতশিল্পী নিজেই মোবাইলে মেসেজ করে স্পষ্ট করেছেন। ওই সঙ্গীতশিল্পী বামপন্থী সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত। এছাড়া তিনি কল্যাণপুর স্কিম -২ পুজো কমিটির প্রধান উদ্যোক্তা। ওই ব্যক্তির বয়ান অনুযায়ী, তিনি কলকাতায় নিউটাউনে থাকেন। গত ১৭ তারিখে আসানসোল গিয়েছিলেন। তিনি ডায়াবেটিস আক্রান্ত ছিলেন আগে থেকেই। এরপর সপ্তাহে কলকাতায় ফিরে শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় তিনি সুগার পরীক্ষা করাতে পিয়ারলেস হাসপাতালে গেলে সেখানে তাকে করোনা পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়।














এবং করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এই রিপোর্ট পাওয়ার পর আসানসোলে ওই ব্যক্তির বাড়িতে স্ত্রী, ভাগ্নি দিদি জামাইবাবু সবার করোনা টেস্ট হয়েছে এবং প্রত্যেকের নেগেটিভ রিপোর্ট এসেছে।এদিকে এই ব্যক্তি বলেন তিনি আসানসোলে কারো সংস্পর্শে আসেন নি এবং বাড়ি থেকে বের হন নি তথাপি তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে কলকাতায় গিয়ে। বর্তমানে তিনি গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় ডাক্তার চন্দ্রমৌলি ভট্টাচার্যের অধীনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন। এ বিষয়ে ওই এলাকার কাউন্সিলর এবং মেয়র পারিষদ অনিমেষ দাস – কে ফোন করা হলে তিনি বলেন নিয়ম মেনে ওই আক্রান্ত ব্যক্তির বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় খবর পাওয়া মাত্রই সানিটাইজেশন করা হয়েছে এবং সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে। এছাড়া কাউন্সিলর বলেন ওই ব্যক্তির বাড়ির সদস্য দের করোনা পরীক্ষার সমস্ত ব্যবস্থা হয় এবং প্রত্যেকের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।
এদিকে বাড়ির লোকের সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে ওই সংগীত শিল্পীর স্ত্রী বলেন , আপাতত পরিবারের সবাই হোম কোয়ারানটাইনে আছেন এবং সুস্থ আছেন ।

এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর ওই সমস্ত এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ২৬ তারিখে প্রকাশিত হেলথ বুলেটিন অনুযায়ী আসানসোল দুর্গাপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ জন করোনা পজিটিভ রোগীর সন্ধান পাওয়া গেল।
জেলায় মোট সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা ৬৪৫ এ পৌঁছালো। সক্রিয় সংক্রমিত ব্যক্তির সংখ্যা ৩৩২ তে পৌঁছল। ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩০৫ জন।
জনসচেতনতা ,মাস্ক ব্যবহার, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা এই সমস্ত বিধিগুলি এই রোগের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে এটি বলাই বাহুল্য।

