নিখোঁজ থাকা কয়লা কারবারি দেহ উদ্ধার কয়লাখনি থেকে, চাঞ্চল্য
আসানসোলের রানিগঞ্জের ঘটনা
বেঙ্গল মিরর, রাজা বন্দোপাধ্যায়, আসানসোল, ৬ নভেম্বরঃ রাত থেকে নিখোঁজ থাকা এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হলো ইসিএলের কয়লাখনি থেকে। শুক্রবার সকালে এই ঘটনায় রানিগঞ্জ থানার বাঁশরা কোলিয়ারি এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। রানিগঞ্জের মঙ্গলপুর গ্লাস ফ্যাক্টরী এলাকার বাসিন্দা মৃত যুবকের নাম সেলিম খান (৩৭)।











পুলিশ এই ঘটনায় মৃত যুবকের এক যুবককে আটক করেছে। মৃত যুবক কয়লার কারবার করতো বলে জানা গেছে। আটক যুবক মৃত যুবকের বন্ধু ও তার কয়লার কারবারের অন্যতম অংশীদার। শুক্রবার দুপুরে আসানসোল জেলা হাসপাতালে মৃত যুবকের দেহর ময়নাতদন্ত হয়। যুবকের মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে তার ভিসেরা ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে।
শুক্রবার রাত পর্যন্ত মৃত যুবকের পরিবারের তরফে রানিগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়িতে কোন অভিযোগ দায়ের করা হয় নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেলিম খান বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। পরে রাতে সে স্ত্রীকে ফোন করে বলে যে, সে বন্ধুদের সঙ্গে আছে। সামান্য সমস্যা হয়েছে। তারপর রাতে সেলিম খান বাড়ি ফিরে আসেনি। শুক্রবার সকাল থেকে সেলিমের খোঁজ শুরু হয়। পরিবারের তরফে পাঞ্জাবি মোড় ফাঁড়ির পুলিশকে সেলিমের নিখোঁজের কথা জানানো হয়।
এরপর পুলিশ সেলিম খান যে বন্ধুর সঙ্গে রাতে ছিলো, তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। সেই বন্ধু পুলিশকে জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে তারা বাঁশরা কোলিয়ারি এলাকায় বসে মদ খেয়েছিলো। সেই সময় তাদের মধ্যে ঝগড়া হয়। তাতে ধাক্কাধাক্কিতে সেলিম কয়লাখনিতে পড়ে যায়। সেই বন্ধুর কথা মতো পুলিশ কয়লাখনি এলাকায় আসে। প্রায় ৪০ ফুট খনির নিচ থেকে সেলিম খানের দেহ পুলিশ উদ্ধার করে।
প্রাথমিক তদন্তের পরে পুলিশের অনুমান, মৃত যুবকের শরীরে তেমন কোন আঘাত পাওয়া যায় নি। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে জানা গেছে, উপর থেকে নিচে পড়ে গেলে যেমন আঘাত লাগে, মৃত যুবকের শরীরে তেমনই জখম আছে। পরিবার অভিযোগ দায়ের করলে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


