ASANSOL

আসানসোল শহরে পথচলা শুরু করলো ” দিশা আই হসপিটালস্ “

বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল শহরে পথচলা শুরু করলো ” দিশা আই হসপিটালস্”। শনিবার বিকেলে আসানসোল শহরের জিটি রোডের ভগৎ সিং মোড় সংলগ্ন এজি চার্চ স্কুলের ঠিক উল্টোদিকে ” দিশা আই হসপিটালস্” র ১৮ তম শাখা চালু হলো। এদিন বিকেলে এক অনুষ্ঠানে প্রথমে ফিতে কেটে ও প্রদীপ জ্বালিয়ে নতুন এই শাখার উদ্বোধন করেন রাজ্যের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক ও আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের সেক্রেটারি স্বামী সৌমত্বানন্দজী মহারাজ। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ছিলেন দিশা আই হসপিটালসের চেয়ারম্যান তথা এমডি ডাঃ দেবাশীষ ভট্টাচার্য, আসানসোল পুরনিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়, ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক, দুই মেয়র পারিষদ গুরুদাস ওরফে রকেট চট্টোপাধ্যায় ও ইন্দ্রাণী মিশ্র, দুই কাউন্সিলর দীপা চক্রবর্তী।


অনুষ্ঠানে মন্ত্রী মলয় ঘটক বলেন, একটা সময় ছিলো আসানসোলের মানুষদের ভালো চিকিৎসার জন্য কলকাতা ও অন্য রাজ্যে যেতে হতো। কিন্তু গত ১১ বছরে তার অনেকটাই পরিবর্তন হয়েছে। বর্তমান রাজ্য সরকারের চেষ্টায় এই আসানসোল শহরের অনেক বেসরকারি হাসপাতাল চালু করা সম্ভব হয়েছে। আরো কয়েকটি হাসপাতাল চালু হতে চলেছে। তিনি আরো বলেন, আসানসোল মহকুমা হাসপাতালকে জেলা হাসপাতালে রুপান্তরিত করা হয়েছে। তবে আসানসোল তথা পশ্চিম বর্ধমান জেলার মানুষদের কথা ভেবে আসানসোলে একটি মেডিকেল কলেজ তৈরীর চেষ্টা করা হচ্ছে। আশা করি দ্রুত তা হয়ে যাবে।


হাসপাতালের চেয়ারম্যান তথা এমডি ডাঃ দেবাশীষ ভট্টাচার্য বলেন, আসানসোলের এই শাখা ১০ হাজার বর্গফুটের। এখানে একটি ওটি বা অপারেশন থিয়েটার, ১৫ টি ও ৫ টি ওপিডি ক্লিনিক রয়েছে। তবে এই শাখায় এই রেটিনা ও কর্ণিয়া অপারেশন করা হবেনা। আগামী দিন পুরো পরিকাঠামো তৈরি করে তা করা হবে। আপাততঃ অপারেশনের রোগীদের কলকাতা, দূর্গাপুর ও ব্যারাকপুরে পাঠানো হবে। আসানসোলের শাখা সোমবার থেকে শনিবার সকাল আটটা সন্ধ্যা ছটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তিনি আরো বলেন , আমরা ১৯৯৭ সালের ১ মে ব্যারাকপুর হাসপাতাল দিয়ে পথচলা শুরু করেছিলাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *