আদিবাসিদের দাবি আদায়ের জন্য সরব হলেন তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা
বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জি, রানীগঞ্জ : এবার তৃণমূলেরই পঞ্চায়েত সদস্য তৃণমূল পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সরব হলেন। দিলেন বৃহত্তর আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারি।
রানীগঞ্জ ব্লকের বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েত এলাকায়, আদিবাসী জন জাতিদের বারংবার আশ্বাস দেওয়ার পরও, তাদের প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে, বলেই দাবি করে, বর্তমান সময়ে দায়িত্বে থাকা পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যরা আদিবাসীদের দাবি-দাওয়া পূরণ করছে না, বলেই আওয়াজ তুললেন। পূর্বে বাম আদিবাসী নেতা তথা বর্তমানে পঞ্চায়েতের প্রধান, সঞ্জয় হেমব্রমের পর এবার তৃণমূলের দু দফায় পঞ্চায়েত সদস্যা সীমা মাড্ডি, ও আদিবাসী বেশ কয়েকজন তৃণমূল সদস্য সোমবার রানীগঞ্জের সমষ্টি উন্নয়ন দপ্তরে, দাবি আদায়ের গিয়েও ফিরলেন বিফল মনোরথে।















বল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্যা সীমা মাড্ডি দাবি করেন, বেশ কয়েক দফায়, তারা তাদের দাবি গুলি পঞ্চায়েত সমিতিতে তুলে ধরলে, সে সময় আদিবাসীদের ধার্মিক স্থল, যা জনজাতি সম্প্রদায়ের জাহের থান নামে পরিচিত, সেই জাহের থান তৈরির জন্য জমি প্রদান ও সেই জাহের ধান তৈরি করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়। তবে সেই জাহের থান করার কাজ সম্পূর্ণ না করায় তারা সর্বত্রই এলাকাবাসীর প্রশ্নের মুখে পড়ছেন। আর এই সকল বিষয়ের প্রেক্ষিতে তারা বারংবার পঞ্চায়েত সমিতি ও বিডিও দপ্তরে, লিখিতভাবে আবেদন করে, তুলে ধরলেও কোন সমাধান সূত্র বের করতে পারেননি। আর তারপরেই এবার তারা আদিবাসীদের জাহের থানের জমি প্রদান ও জাহের থান তৈরি করে দেওয়ার দাবিকে তীব্রতর করতে সমষ্টি উন্নয়ন দপ্তরে হাজির হন।
যদিও এদিন পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও সমষ্টি উন্নয়ন দপ্তরের আধিকারিক দপ্তরে না থাকায় তারা তাদের দাবিদাওয়া গুলি যুগ্ম সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের হাতে তুলে দেন। উল্লেখ্য রাণীগঞ্জ ব্লকের ছটি গ্রাম পঞ্চায়েতে প্রায় ৫৮ টি জাহের থান গড়ে তোলার কথা রয়েছে তবে তার মধ্যে মাত্র ১০ টি জাহের থান তৈরীর অনুমোদন দেয়া হয়েছে যা অনেকটাই ভাবিয়ে তুলেছে তাদের। সীমা মাড্ডির দাবি এরূপভাবে একসময় জাহের খান তৈরি করে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়ার কথা বলে পরবর্তীতে সেই জাহের থান তৈরীর কোন উদ্যোগ গ্রহণ না করায় তারা অনেকটাই বিপাকে পড়েছেন। যা নিয়ে অবিলম্বে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি করেন তারা।


