সোশাল মিডিয়ায় দেশ বিরোধী আপত্তিকর পোস্টে, ধৃত যুবক
বেঙ্গল মিরর, বারাবনি ও আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের বারাবনির পুচড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মদনপুর গ্রাম থেকে শরীফ মীর নামে বছর ৩৩ বয়সের যুবককে সোমবার রাতে বারাবনি থানার পুলিশ গ্রেফতার করে। মঙ্গলবার ধৃতকে আসানসোল জেলা আদালতে পেশ করা হয়। এজলাসে সওয়াল-জবাব শেষে বিচারক তার জামিন নাকচ করে সাতদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। আগামী ২১ মে তাকে আবারও আদালতে পেশ করার নির্দেশ দেন বিচারক। একইসাথে, বিচারক এই মামলার তদন্তকারী অফিসার বা আইওকে ২১ মে সিডি বা কেস ডায়েরি আদালতে পেশ করার নির্দেশ দিয়েছেন।














পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ধৃত যুবক দিন কয়েকদিন আগে নিজের মোবাইল ফোন থেকে সোশাল মিডিয়ায় (ফেসবুকে) ” পাকিস্তান” নিয়ে জিন্দাবাদ স্লোগান তুলেছিল। এখানেই শেষ নয়, সে এরপরে ভারতের জাতীয় পতাকাকে নিয়েও ফেসবুকে এমন একটি পোষ্ট করে, যা অবমাননা করেছে বলে অভিযোগ। এরপরই বারাবনি থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। তার ভিত্তিতে তদন্ত করতে নেমে বারাবনি থানার পুলিশ তাকে সোমবার গ্রেফতার করে। ধৃত যুবক পেশায় জামুরিয়া একটি বেসরকারি আয়রন স্পঞ্জ আয়রন কারখানার ড্রাইভার।
এদিন সকালে যখন তাকে আসানসোল জেলা আদালতে তোলার জন্য বারাবনি থানা থেকে বাবা করা হচ্ছিলো, তখন তার পরিবারের লোকজনেরা সেখানে ভিড় করে দাঁড়িয়েছিলেন। তার যে মোবাইল ফোন থেকে এই পোষ্ট বিভিন্ন জায়গা ভাইরাল করা হয়েছে, সেই মোবাইলটি ফোনটিও পুলিশ আটক করেছে। এই মোবাইলটিকে ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নির্দিষ্ট ডিপার্টমেন্টে পাঠানো হয়েছে। তার রিপোর্ট সেই ডিপার্টমেন্ট থেকে নেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে, ধৃত যুবকের আইনজীবী শেখ মৈইদ্দিন বলেন, তার বিরুদ্ধে সোশাল মিডিয়ায় আপত্তিকর পোস্ট করার অভিযোগ রয়েছে।
এদিন তাকে আদালতে পেশ করা হয়েছিলো। সওয়াল-জবাব শেষে বিচারক তার জামিন নাকচ করে সাতদিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। আইনজীবির দাবি, যুবক ইচ্ছাকৃতভাবে তা করেনি। হতে পারে, তার মোবাইল ফোন থেকে কেউ করে থাকতে পারে। পুলিশ তা তদন্ত করে দেখছে। এই বিষয়ে পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঐ যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। নির্দিষ্ট ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

