নামি কোম্পানির তেল কিনে খাওয়ার আগে একটু হয়ে যান সাবধান !
বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী রানীগঞ্জ : নামি কোম্পানির সরষের তেল কিনে খাওয়ার আগে একটু হয়ে যান সাবধান। আপনি দেখে নিন আপনার অজান্তে আপনি কোনো ভেজাল তেল খেয়ে ফেলছেন না তো ? শুক্রবার রাত্রে রানীগঞ্জের গির্জা পাড়ায় অবস্থিত এক তেল মিলে নামি কোম্পানির তেলের টিনে স্থানীয় এলাকার লোকাল তেল কে ভোরে সেই তেলকে ফরচুন কোম্পানির তেল বলে চালানোর অভিযোগ আসায় এবার এমনই প্রশ্ন উঠছে সাধারণের মনে।














জানা গেছে শুক্রবার রাত্রে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের রানীগঞ্জ থানার পুলিশ আদানি উইমার গ্রুপের লিগাল টিমকে সঙ্গে নিয়ে গির্জা পাড়ায় অবস্থিত মোদী ওয়েল মিল নামে এক তেল মিলে অতর্কিতে হানা দিয়ে প্রায় ১০২ টিন ফরচুন কোম্পানির সর্ষের তেল রাখা টিনের ডাব্বায় ভর্তি থাকা তেল বাজেয়াপ্ত করে। যদিও এই ঘটনার সময় ওই তেল মিলের মালিক ঘটনাস্থল ছেড়ে চম্পট দেয়। পরে পুলিশ ও লিগ্যাল টিম ওই সকল টিনের মধ্যে মজুদ থাকা ভোজ্য তেল বাজেয়াপ্ত করে। লিগ্যাল টিমের সদস্যরা দাবি করেছেন ফরচুন কোম্পানির দুটি ব্র্যান্ডের তেলের টিনের ডিব্বা নিয়ে তারই মধ্যে তেল ভরে তা বাজারজাত করা হতো যার মাধ্যমে অনেকেই সেই তেল ফরচুন সংস্থার তেল বলে মনে করে সহজেই তা খরিদ করে নিতেন। যা সম্পূর্ণভাবে বেআইনি ও আইন বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে তারা স্থানীয় মার্কেটে খোজ তল্লাশি করে জানতে পারার পর পুলিশ প্রশাসনের কাছে এ বিষয়ে জানান দিলে রানীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর বিকাশ দত্ত এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ এর জন্য রানীগঞ্জ থানার সাব-ইন্সপেক্টর এমডি পারবেজের সঙ্গেই বেশ কিছুজন পুলিশ আধিকারিক কে পাঠিয়ে এই বিশেষ অভিযান চালায়। যেখানে তারা বিশাল পরিমাণে এই ভোজ্য তেল উদ্ধার করে। এখন দেখা এই সকল টিনের মধ্যে যে সব ভোজ্য তেল রয়েছে তা ভেজাল রয়েছে কিনা আর তা খাবার উপযুক্ত রয়েছে কিনা সে বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য রানিগঞ্জ এলাকার বেশ কিছু অংশে ভেজাল তেলের রমরমা হয়ে রয়েছে বেশ কয়েক দফায় কিছু অংশে এই অভিযান চললেও তারপর কোন এক অজ্ঞাত কারণে সমস্ত কিছুই আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়। আর এ সকলের আড়ালেই অনেক অসহায় মানুষ নকল বিষাক্ত তেল খেতে বাধ্য হয়। এখন দেখার এ বিষয়ে আগামীতেও কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করে কিনা প্রশাসন।


