জাল ওষুধের রমরমা আটকাতে ও সচেতনতা বৃদ্ধিতে রানিগঞ্জে র্যালি ও পথসভা
বেঙ্গল মিরর, রানিগঞ্জ, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ জাল বা নকল ওষুধে বন্ধের দাবি ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেনতা বাড়াতে রবিবার বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের রানিগঞ্জ শাখার পক্ষ থেকে রানিগঞ্জ শহরে একটি র্যালি ও পথসভার আয়োজন করা হয়েছিল। এই র্যালি তার বালা মোড় থেকে শুরু হয়। পরে তা ডাল পট্টি মোড়, ইতোয়ারী মোড় হয়ে নেতাজি মূর্তির সামনে শেষ হয়। সেখানে একটি সংগঠনের তরফে একটি পথসভার আয়োজন করা হয়েছিল। সেই পথসভায় বিভিন্ন বক্তারা সাধারণ মানুষকে জাল বা নকল ওষুধ কিভাবে তারা সনাক্ত করতে পারবেন সে সম্পর্কে অবহিত করেন। এই মিছিল ও সভায় সংগঠনের রানিগঞ্জ শাখার সম্পাদক তিমির বরণ মণ্ডল এবং সভাপতি মহেশ সরাফ সহ সংগঠনের আরো সদস্য উপস্থিত ছিলেন।














তিমির বরণ মণ্ডল বলেন, আমাদের সংগঠন জাল ওষুধের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। এই অভিযান কেবল মাত্র রানিগঞ্জ বা আসানসোলে নয়, বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের ব্যানারে সমগ্র বাংলায় তা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, আমরা জনগণকে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ক্রমাগত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি ।যাতে মানুষ জাল ওষুধের ফাঁদে না পড়েন । তিনি যে কোনো ওষুধ কেনার আগে কিউআর কোড পরীক্ষা করার জন্য জনগণকে আহ্বান জানান। এর পাশাপাশি তিনি ওষুধ কেনার সময় সর্বদা মেমো নেওয়ার জন্যও জনগণের কাছে আবেদন করেন। তিনি বলেন, মানুষ যদি এটা করেন, তাহলে এই ব্যবসায়ীরা জাল ওষুধ সরবরাহ করতে পারবে না।অন্যদিকে, সংগঠনের সভাপতি মহেশ কুমার সরাফও জাল ওষুধের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রাখার কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের সংগঠন গত বেশ কয়েক বছর ধরে এই নিয়ে কাজ করে আসছে এবং সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আগে, জাল ওষুধের বাংলায় তেমন প্রভাব ছিল না। কিন্তু এখন ধীরে ধীরে দেখা যাচ্ছে যে বাংলায়ও জাল ওষুধের বাজার বাড়ছে। এটা বন্ধ করার প্রয়োজন রয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের সংগঠন ক্রমাগত মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করছে। আজ, এই অভিযান সারা বাংলা জুড়ে চালানো হচ্ছে। তিনি ওষুধ কেনার সময় কিউআর কোডের মাধ্যমে পরীক্ষা করার পরামর্শও দেন। তিনি আরো বলেন, আমাদের সংগঠন সামাজিক কাজেও জড়িত। তা রক্তদান শিবির আয়োজন করা হোক বা অত্যন্ত দরিদ্রদের জন্য বিনামূল্যে ওষুধের ব্যবস্থা করা । এই সংগঠন সর্বদা এই ধরনের কর্মকাণ্ডের সামনের সারিতে থাকে বলে দাবি তার।


