গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসেই আক্রান্ত যুবক, হামলা চালিয়ে মারধর দুজনের বিরুদ্ধে
বেঙ্গল মিরর, সালানপুর, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের সালানপুর ব্লকের দেন্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ঢুকে এক যুবককে মারধর করার অভিযোগ উঠলো কুলটি থানার দেবীপুর গ্রামের দুই যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে দেন্দুয়া গ্রামে। প্রহৃত যুবক সালানপুর থানায় নির্দিষ্ট করে ঐ দুই যুবকের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানও গোটা বিষয়টি জানিয়ে কল্যানেশ্বরী পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।ঘটনা সূত্রে জানা গেছে, বৃস্পতিবার দুপরে দেন্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে আসেন দেন্দুয়া গ্রামের বাসিন্দা পঞ্চায়েতের হয়ে কাজ করা ঠিকাদার মধুসূদন দত্ত। কিন্তু আচমকাই কুলটি থানার দেবীপুর গ্রামের দুই যুবক সভাপতি ঘোষ ও রঘুপতি ঘোষ সেখানে আসে। তারা পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে মধুসূদনকে এলোপাথাড়ি মারধর করতে থাকে বলে অভিযোগ। সেই মারধরে আহত হন মধুসূদন দত্ত।তবে কি কারণে তাকে আচমকাই মারধর করা হলো, তা মধুসূদন দত্তর কাছেই অজানা।














তিনি বলেন, কিছু বুঝতেই পারছি না। কিন্তু, অন্য একটি সূত্রের খবর, সভাপতি ঘোষের সঙ্গে মধুসূদন দত্তের বছর দেড়েক আগে দেন্দুয়ায় কথা কাটাকাটি হয়েছিলো কোন একটা বিষয় নিয়ে। মনে করা হচ্ছে, তারই জেরেই এদিনের এই হামলা। পরে খবর পেয়ে যুবকের বাড়ির লোকের সেখানে আসেন। তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া পিঠাইকেয়ারী গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে তার প্রাথমিক চিকিৎসা করা হয়েছে।এরপর এই ঘটনা নিয়ে আহত মধুসূদন দত্ত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সালানপুর থানায়।অন্যদিকে, দেন্দুয়া গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সুপ্রকাশ মাজিও লিখিত ভাবে পুলিশের কাছে গোটা ঘটনার কথা জানান। পঞ্চায়েত প্রধান সুপ্রকাশ মাজি বলেন, নিজেদের মধ্যে ঝগড়া ঝামেলা থাকতে পারে। তবে পঞ্চায়েত অফিসের ভিতরে মারধর করাটা অপরাধ। আমি পুলিশকে গোটা বিষয়টি জানিয়ে, প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলেছি।
এই প্রসঙ্গে হামলাকারী সভাপতি ঘোষ ও রঘুপতি ঘোষের কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। কারন তারা ঘটনার পরেই পঞ্চায়েত অফিস থেকে বেপাত্তা হয়ে যায়। তবে পুলিশ পঞ্চায়েত অফিসের বাইরে থেকে রঘুপতি ঘোষের মোটর সাইকেলটি আটক করে বলে খবর।গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুটি অভিযোগই খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানায়।


