যাত্রী সাথী অ্যাপের মাধ্যমে এম্বুলেন্স পরিষেবায় জোর, ডিসি ট্রাফিকের পরিদর্শন
বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী, রানীগঞ্জ : :আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে ‘যাত্রী সাথী’ অ্যাপের মাধ্যমে এম্বুলেন্স ‘পরি’ পরিষেবা চালু করা হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত ভাড়ায় রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে আনা–নেওয়ার সুবিধা নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।পরিষেবাটির প্রসার এবং বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার আসানসোল–দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের উপ-আয়ুক্ত (ট্রাফিক) পি. ভি. জি. সতীশ জামুড়িয়া, পাণ্ডেশ্বর ও রানীগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করেন।














এই সময়ে তিনি রানীগঞ্জের একাধিক নার্সিং হোমে গিয়ে ‘যাত্রী সাথী’ অ্যাপ-ভিত্তিক এম্বুলেন্স পরিষেবার প্রাপ্যতা ও কার্যপ্রণালী সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।ডি.সি.পি. সতীশ এম্বুলেন্স চালকদের সঙ্গেও কথা বলেন এবং নির্দেশ দেন যে যাত্রীদের কাছ থেকে পরিবহন দপ্তরের নির্ধারিত সরকারি ভাড়াই গ্রহণ করতে হবে। পাশাপাশি রোগীর পরিবারকে অ্যাপ সম্বন্ধে বিশেষভাবে সচেতন করা হয় যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে তারা সরাসরি অ্যাপের মাধ্যমে এম্বুলেন্স বুক করে সুবিধা নিতে পারেন।
উদ্যোগের লক্ষ্য— অযৌক্তিক ও অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার প্রবণতায় লাগাম টানা এবং যাত্রীদের সুলভ ও নির্ভরযোগ্য পরিষেবা নিশ্চিত করা।পরিদর্শন শেষে ডি.সি.পি. পি. ভি. জি. সতীশ বলেন,“যাত্রী সাথী অ্যাপের মাধ্যমে এম্বুলেন্স পরি পরিষেবা কতটা কার্যকর হচ্ছে তার তথ্য আমরা বিভিন্ন এলাকা থেকে সংগ্রহ করেছি। আমাদের লক্ষ্য— যত বেশি মানুষ এই অ্যাপ ব্যবহার করে পরিষেবার সুবিধা নিন। বর্তমানে রানীগঞ্জে ১৭টি এবং জামুড়িয়ায় ৩টি এম্বুলেন্স এই পরিষেবায় যুক্ত আছে। পাশাপাশি পরিদর্শনে উৎসাহজনক তথ্য পাওয়া গেছে— গত বছরের তুলনায় এ বছর দুর্ঘটনা-প্রবণ এলাকাগুলিতে দুর্ঘটনার হার কমেছে।”


