ASANSOL

জীবিকার খোঁজে শিল্পাঞ্চলে যোগীরাজ্যের মানুষেরা এসে পসরা সাজিয়েছেন

বেঙ্গল মিরর, দেব ভট্টাচার্য্য। আসানসোল । উত্তরপ্রদেশে যখন ডবল ইঞ্জিনের সরকার কাজের সুযোগ করে দিতে পারছেন না গরিব মানুষকে তখন শীতের আগমনে রূপনারায়ণপুর ,সালানপুর, রানীগঞ্জ,কুলটির নিয়ামতপুর, বরাকর থেকে শুরু করে বিভিন্ন বাজার ও রাস্তার ধারে ধারে তাদের দেখা যাচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ থেকে বেশিরভাগ মানুষ কেউ কম্বল, কেউ কেউ শীতবস্ত্র, চাদর, বালিশ–সহ নানা ধরনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী বিক্রি করতে এসেছেন এখানে। ছোট ছোট তাঁবু খাটিয়ে বা ফুটপাতেই দোকান খুলে বসে আছেন তারা। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হছে নানান ধরনের কম্বল। সব কম্বলের বেশির ভাগই আবার পাঞ্জাবের লুধিয়ানা বা দিল্লি অঞ্চলের বলে দাবি করা হচ্ছে।

রূপনারায়ণপুরে রাজ্য সড়কের পাশে এমন দুটি এলাকায় দোকানে থাকা উত্তর প্রদেশের আজমগড় এবং বেরিলির দুই বাসিন্দা জানান সেখানে কাজের সুযোগ নেই। সংসার চালানোর জন্যই তারা পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গাতেই এই ধরনের জিনিসপত্র নিয়ে শীতের সময় সহ বেশ কয়েক মাস নিশ্চিন্তে বিক্রির জন্য এসেছেন। গতবছরেও তারা ভালো বিক্রি করেছিলেন এবং কোথাও কোন সমস্যা হয়নি।

রানীগঞ্জের পাঞ্জাবি মোড় থেকে বাজারের দিকে যাবার পথে একইভাবে এই ধরনের ব্যবসা করছেন খাটের ওপর সাজিয়ে প্রচুর কম্বল বালিশ বিভিন্ন ধরনের গরম চাদর ইত্যাদি নিয়ে ওরা। তারাও জানান এখানে শান্তিতে আমরা এই ব্যবসা করে যে মুনাফাটুকু আয় করি তা দিয়ে সংসার চালাই । কয়েক মাস ধরে পরিবার থাকবে ওখানে ।বাংলায় ব্যবসা করা তাদের কাছে তুলনামূলক নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক বলে অন্যান্য বিক্রেতারা জানান। কোনো প্রকার বাধা-বিঘ্ন ছাড়াই দিনের পর দিন এখানে ব্যবসা করতে পারছেন তারা।

পরিবার-পরিজনকে রেখে কয়েক মাসের জন্য বাংলায় এসে ঠাঁই নেয়া এই মানুষগুলোর মুখে তাই একটাই কথা—এখানে শান্তি আছে, ব্যবসা করতে দেওয়া হয়, তাই বারবার ফিরে আসতে ইচ্ছে করে।মহুয়া চ্যাটার্জি এবং সংক্ষিপ্তা মাহাতা,জপা কুণ্ডু নামে তিন মহিলা বলেন এই সময় ঠান্ডাটা পড়া শুরু হয়েছে রূপনারায়ণপুর সহ সমগ্র এলাকায়।বড় দোকানের তুলনায় এদের কাছে দামও কম আর মজুত অনেক বেশি। ফলে মনোমতো কম্বল এবং গরম চাদর পাওয়া গেল তুলনামূলক কম দামে।

News Editor

Mr. Chandan | Senior News Editor Profile Mr. Chandan is a highly respected and seasoned Senior News Editor who brings over two decades (20+ years) of distinguished experience in the print media industry to the Bengal Mirror team. His extensive expertise is instrumental in upholding our commitment to quality, accuracy, and the #ThinkPositive journalistic standard.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *