আসানসোলে তৃণমূলের প্রতিবাদ সভা, কেন্দ্র সরকার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করছে, আক্রমণে মলয় ঘটক
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ* বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমিক ভট্টাচার্য গত ২৯ নভেম্বর আসানসোলের জিটি রোডে গীর্জা মোড়ে সভা করেছিলেন। ঠিক আটদিনের মাথায় রবিবার বিকেলে ঐ একই জায়গায় এসআইআর বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন আবহে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করে।সেই সভায় রাজ্যের শ্রম ও আইন মন্ত্রী মলয় ঘটক প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন। এছাড়াও আসানসোল পুরনিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় , দুই ডেপুটি মেয়র ওয়াসিমুল হক, অভিজিৎ ঘটক, মেয়র পারিষদ গুরুদাস ওরফে রকেট চট্টোপাধ্যায় , পশ্চিম বর্ধমান জেলা পরিষদের সভাধিপতি বিশ্বনাথ বাউরি , জামুরিয়ার বিধায়ক হরেরাম সিং সহ একাধিক তৃণমূল নেতা এবং বিপুল সংখ্যায় কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।














এই সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মলয় ঘটক বলেন, যখনই বাংলায় নির্বাচন হয়, তখনই দিল্লি থেকে বিজেপি নেতারা বাংলায় আসেন। তারা মিথ্যা কথা বলে বাংলার মানুষকে বোকা বানানোর চেষ্টা করেন। বারবার ধাক্কা খেয়ে যখন বিজেপি নেতারা বুঝতে পারেন যে এভাবে বাংলার জনগণকে বোকা বানানো যাবে না। তখন তারা ভোটার তালিকা কারচুপির জন্য নির্বাচন কমিশনকে কাজে লাগিয়ে এসআইআর শুরু করিয়েছেন । তিনি বলেন, আগামী বছর বাংলা সহ অনেক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে। কিন্তু এসআইআর শুধুমাত্র সেই রাজ্যগুলিতেই করা হচ্ছে যেখানে বিজেপি সরকার নেই। যেখানে বিজেপি ইতিমধ্যেই ক্ষমতায় আছে সেখানে এই এসআইআর করা হচ্ছে না। এটা করে কেন্দ্রীয় সরকার মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন বলেন, গত বিধানসভা নির্বাচনে, পশ্চিম বর্ধমান জেলার নয়টি বিধানসভা আসনের মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস ছয়টিতে জয়লাভ করেছে। তিনি বলেন, আসন্ন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দল এই জেলার সবকটি আসনই জিতবে। কুলটি, আসানসোল দক্ষিণ এবং দুর্গাপুরেও বিজেপি পরাজিত হবে। তিনি বলেন, এই জেলার পাশাপাশি , সমগ্র রাজ্যের মানুষ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে পরিস্থিতি যতই কঠিন হোক না কেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বদা তাদের পাশে আছে ও থাকবেন।





