উদ্যোক্তা যুব শিল্পী সংসদ, শুক্রবার দুপুরে উদ্বোধন ৪২ তম আসানসোল বইমেলার
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ প্রতি বছরের মতো এ বছরও আসানসোলের পোলো গ্রাউন্ডে যুব শিল্পী সংসদের তরফে আসানসোল বইমেলার আয়োজন করা হয়েছে। এই বছরের আসানসোল বইমেলা ৪২ তম। আসানসোল বইমেলার আজ ৯ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুরে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হবে। ১০ দিনের এই বইমেলা ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আসানসোলের মধ্য এসবি গড়াই রোডে বিদ্যাসাগর আবাসনে ( ফেজ ১) যুব শিল্পী সংসদের কার্যালয়ে একটি সাংবাদিক সম্মেলন এই বছরের বইমেলার আয়োজন করা নিয়ে বিস্তারিত ভাবে জানান সৌমেন দাস। সাংবাদিক সম্মেলনে অন্যদের মধ্যে ছিলেন এক্সিকিউটিভ সদস্য হিতেন সেন শর্মা, সহকারী কোষাধ্যক্ষ সুজিত সাহা ও মীনা মুখোপাধ্যায়।














সৌমেন দাস বলেন, ৯ জানুয়ারি শুক্রবার দুপুর দুটোর সময় এই বছরের আসানসোল বইমেলার উদ্বোধন করা হবে। ১০ জানুয়ারি দুপুর থেকে বইমেলা মঞ্চে অনুষ্ঠান শুরু হবে। ১৮ জানুয়ারি সন্ধ্যায় একটি সঙ্গীতানুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বইমেলা শেষ হবে। বইমেলায় ১৬ জানুয়ারি একটি কুইজ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এই প্রতিযোগিতায় দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়ারা অংশ নিতে পারবেন। ১৮ জানুয়ারি অর্থাৎ বইমেলার শেষ দিন দুপুরে বসে আঁকো ও আলপনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। বসে আঁকো প্রতিযোগিতা দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ুয়াদের জন্য আয়োজন করা হয়েছে ।
তিনি আরো বলেন, গত বছর বইমেলার বাইরের রাস্তায় আলপনা আঁকো প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিলো। কিন্তু গত বছরের তুলনায় এ বছর অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা অনেক বেশি, তাই বইমেলা মাঠে সেই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। ১৫ জানুয়ারি দুপুরে হবে কবি সম্মেলন। ১৭ জানুয়ারি সন্ধ্যা একটি সঙ্গীতনুষ্ঠানে সাগ্নিক সেন উপস্থিত থাকবেন। ১৮ জানুয়ারির সঙ্গীতানুষ্ঠানে থাকছেন দীপ চ্যাটার্জি সঙ্গে মাতান। এই বছর ১৩ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬:৩০ টায় প্রথমবারের মতো একটি নতুন অনুষ্ঠান করা হবে। ” গল্প শুনুন” শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গকারী অথবা জাতির জন্য গৌরব বয়ে আনা মহান ব্যক্তিদের গল্প বলা হবে। তা এমনভাবে করা হবে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত ও অনুপ্রাণিত করবে। প্রায় ৩০০ জন শিল্পী পুরো বইমেলায় নানা অনুষ্ঠান পরিবেশনা করবেন। যাদের বেশিরভাগই আসানসোল বা আশেপাশের এলাকার।
এবারের বইমেলায় ৫০ টি স্টল করা হবে। বইমেলায় বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষার বইয়ের স্টল থাকবে। উর্দু ভাষার স্টল সম্পর্কে তিনি বলেন যে অনেক চেষ্টা করার পরেও তা আমরা করতে পারিনি। কেউ করতে এগিয়ে আসেনি। এবার প্রথম বাগবাজার রামকৃষ্ণ মিশনের বিশেষ স্টল থাকবে। ইসকনের স্টলও করা হবে। লিটল ম্যাগাজিনের জন্য ২৬টি টেবিল করা হচ্ছে। অনেক লেখক আছেন যারা নিজেদের বই উদ্বোধনের জন্য আসানসোল বইমেলার অপেক্ষায় থাকেন। সেই সুযোগ এই বছরেও থাকছে। এরসাথে থাকছে ১৪টি খাবারের স্টলও। তবে আমদের উদ্দেশ্য বইমেলার আয়োজন করা। সৌমেনবাবু আরো বলেন, বইমেলায় অগ্নিনির্বাপণের সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনেক বেশি পরিমাণে অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র রাখা হচ্ছে।

