দুর্গাপুরে ইভটিজিং অভিযোগ ঘিরে মুখোমুখি তৃণমূল ও বিজেপি, ফাঁড়িতে স্লোগান, পাল্টা স্লোগানে উত্তেজনা
বেঙ্গল মিরর, দুর্গাপুর, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ইভটিজিংয়ের অভিযোগকে কেন্দ্র করে রবিবার দুর্গাপুরে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হলো। এই ঘটনার ইস্পাত নগরীর বি-জোন এলাকায় মুখোমুখি হয়ে পড়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি। পরিস্থিতি সামাল দিতে শেষ পর্যন্ত হস্তক্ষেপ করতে হয় পুলিশকে।অভিযোগ, দুর্গাপুর ইস্পাত নগরীর টাউনশিপ এলাকায় এক মহিলাকে ইভটিজিং করা হয়। স্থানীয়রা অভিযুক্তকে ধরে ফেললে সে বিজেপি যুব নেতা পারিজাত গাঙ্গুলীর বাড়িতে ঢুকে পড়ে। এরপর ওই বাড়িতেই অভিযুক্তকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠে।ঘটনার খবর ছড়াতেই বিজেপি যুব নেতা পারিজাত গাঙ্গুলী, বিধায়ক লক্ষণ ঘোরুই, জেলা সহ-সভাপতি চন্দ্রশেখর বন্দোপাধ্যায় সহ বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা বি-জোন ফাঁড়িতে পৌঁছান। সেই সময়ই থানার বাইরে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা রাজীব ঘোষ, বান্টি সিং-সহ বহু কর্মী-সমর্থক জড়ো হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। থানার বাইরে শুরু হয় স্লোগান-পাল্টা স্লোগান। মুহূর্তের মধ্যেই গোটা এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে উত্তেজনা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকদের সেখান থেকে সরিয়ে দেয়।














এদিকে বিজেপি যুব নেতা পারিজাত গাঙ্গুলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, যদি সত্যিই ইভটিজিংয়ের ঘটনা ঘটত, তাহলে সংশ্লিষ্ট মহিলা থানায় লিখিত অভিযোগ জানাতেন। কিন্তু কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি। যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তিনি বিজেপির সক্রিয় কর্মী। তাকে কেন্দ্র করেই আমার বাড়িতে ঢুকে আমাকে ও আমার পরিবারের সদস্যদের ধাক্কাধাক্কি ও হেনস্তা করা হয়েছে। যা একেবারে পূর্ব পরিকল্পিত।
তৃণমূল নেতৃত্ব জানিয়েছে, আমরা একটা ঘটনার খবর পেয়ে ফাঁড়িতে আসি। গোটা বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। পুরো ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইস্পাত নগরীর বি-জোন এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। গোটা পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে পুলিশ বলে জানা গেছে।এদিকে, পুলিশ জানায়, গোটা ঘটনা নিয়ে কোন অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। তবে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে ঠিক কি হয়েছে।


