আসানসোল জেলা হাসপাতালে বিকেলে তিন ঘন্টা আউটডোর চালুর ভাবনা, রোগী কল্যান সমিতির বৈঠকে আলোচনা
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোল জেলা হাসপাতালে বিকেলে তিন ঘন্টা ” আউটডোর বা বর্হিবিভাগ ” চালু করা যায় কি না, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হলো। বিকেলে তিনটে থেকে সন্ধ্যে ছটা পর্যন্ত অর্থাৎ তিন ঘন্টা এই আউটডোর খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। যদিও গোটা ভাবনা ও পরিকল্পনা এখন একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। জানা গেছে, রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরও জেলা ও মহকুমা হাসপাতালগুলিকে এই ব্যাপারে কি করা যায়, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা করতে বলেছে। আউটডোর চালু করতে অনেক কিছুর দরকার। তারমধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক থেকে স্বাস্থ্য কর্মী। টিকিট কাউন্টার এই আউটডোরের একটা অন্যতম অঙ্গ।















জানা গেছে, জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাস এই ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে তা চালু করা হবে।উল্লেখ্য, বর্তমানে সকাল নটা থেকে দুপুর দুটো পর্যন্ত আসানসোল জেলা হাসপাতালে আউটডোর খোলা থাকে। প্রসঙ্গতঃ, বেশ কয়েক বছর আগে বিকেলে হাসপাতালে হাসপাতালে বিকেলে আউটডোর ক্লিনিক চালু করা হয়েছিলো। সেই আউটডোরের জন্য একটা নির্দিষ্ট টাকা ধার্য করা হয়েছিলো। কিন্তু, তা বেশিদিন চলেনি। বেশ কিছুদিন পরেই তা বন্ধ হয়ে যায়। শুক্রবার আসানসোল জেলা হাসপাতালে রোগী কল্যাণ কমিটির একটি বৈঠক হয়। রাজ্যের আইন ও শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটক তথা রোগী কল্যান সমিতির চেয়ারম্যান এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
এছাড়াও আসানসোল জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাস, পশ্চিম বর্ধমান জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক বা সিএমওএইচ ডাঃ ইউনুস, ডেপুটি সুপার কঙ্কন রায়, আসানসোল পুরনিগমের মেয়র পারিষদ গুরুদাস ওরফে রকেট চট্টোপাধ্যায়, চ্যাটার্জী, কাউন্সিলর শিখা ঘটক ও উৎপল রায়, আসানসোল জেলা হাসপাতালের বেশ কয়েকজন চিকিৎসক, নার্স , সহকারী সুপার, আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। আসানসোল জেলা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবা কভাবে উন্নত করা যায় তা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। আসানসোল জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাস মন্ত্রী মলয় ঘটকের কাছে আসানসোল জেলা হাসপাতাল সম্পর্কে কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। বৈঠকে আসানসোল জেলা হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসক, নার্স থেকে অন্য কর্মীরা যাতে রোগী ও তার পরিবারের সদস্যদের সাথে ভালো ব্যবহার করেন, তা দেখার ব্যাপারে আলোচনা করা হয়েছে।
সবাইকে তার ডিউটি নিয়মানুবর্তিতার সঙ্গে করতে হবে বলে এদিনের বৈঠকে আলোচনা করা হয়েছে। কোন রকম অভিযোগ পাওয়া গেলে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে। এর পাশাপাশি, আসানসোল জেলা হাসপাতাল ক্যাম্পাস কিভাবে আরও ভালোভাবে সুরক্ষিত করা যায় সে বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে হাসপাতালের বাউন্ডারি ওয়াল বা সীমানা পাঁচিল। পরে সিএমওএইচ ও সুপার বলেন, হাসপাতালের পরিষেবা আরো কি করে ভালো করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মন্ত্রীকে হাসপাতালের বেশ কিছু সমস্যার কথা বলা হয়েছে। তিনি এই ব্যাপারে স্বাস্থ্য দপ্তরের সঙ্গে কথা বলবেন।


