আসানসোল শহরকে যানজট মুক্ত করার দাবি কংগ্রেসের, জিটি রোড অবরোধ, পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলকে যানজট মুক্ত শহর করার দাবিতে শনিবার দুপুরে জিটি রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালো কংগ্রেস। হটন রোড মোড়ে জিটি অবরোধ করায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে আসানসোল দক্ষিণ থানার ইন্সপেক্টর ইনচার্জ বিশ্বজিৎ হালদারের নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী এলাকায় আসে। ইন্সপেক্টর ইনচার্জ কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদেরকে জিটি রোড অবরোধ তুলতে বলেন। কিন্তু কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরা আন্দোলন তুলতে অস্বীকার করেন। যা নিয়ে তার সঙ্গে কংগ্রেস নেতৃত্বর বাকবিতন্ডা হয়। এরপর পুলিশ কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদের জোর করে তোলার চেষ্টা করলে দুতরফে ধস্তাধস্তি বেঁধে যায়। পরে পুলিশ কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীদের জোর করে তুলে দিয়ে জিটি রোড অবরোধ মুক্ত করে। এর পরে জিটি রোডে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।















এদিন আসানসোলের জিটি রোডের গীর্জা মোড় এলাকার কংগ্রেস অফিস থেকে কংগ্রেসের প্রদেশ কংগ্রেসের সম্পাদক প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি ও আসানসোল সাউথ ব্লক কংগ্রেসের সভাপতি শাহ আলম খানের নেতৃত্ব একটি মিছিল বেরোয়। সেই মিছিলে ছাত্র পরিষদ, মহিলা কংগ্রেস এবং সেবাদল, মাইনোরিটি সহ বিভিন্ন সহযোগী সংগঠনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কংগ্রেস কর্মীরা মিছিল শেষে হটন রোড মোড়ে জিটি রোড রাস্তা অবরোধ করে অবিলম্বে যানজটমুক্ত শহরের দাবি করেন। এই বিষয়ে প্রদেশ কংগ্রেসের সম্পাদক প্রসেনজিৎ পুইতুন্ডি বলেন, আসানসোলে যানজট সমস্যার কারণ তৃণমূল নেতারা। তৃণমূল নেতারা ফুটপাতের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে তোলাবাজি করে যানজট তৈরিতে মদত দিচ্ছেন।
টোটো এবং অটোর সমস্যা সম্পর্কে তিনি বলেন, গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকার যুবকদের কর্মসংস্থান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। কিন্তু তারা চান বেকার যুবকেরা টোটো এবং অটো নিয়ে ব্যস্ত থাকুক। ফলস্বরূপ, পুলিশ প্রশাসন আসানসোলের যানজট পরিস্থিতি উপেক্ষা করছে। তিনি প্রশাসনকে আক্রমণ করে বলেন, প্রশাসন এখন সমস্যা সমাধানের জন্য যানজটের জন্য দায়ী তৃণমূল নেতাদের সাথে বৈঠক করছে। এভাবে আসানসোলে যানজট সমস্যার সমাধান হবে না। তিনি দাবি করেন যে টোটো চালকদের রুট দেওয়া হোক। যাতে তাদের কর্মসংস্থান ক্ষতিগ্রস্ত না হয় ও শহরের যানজট সমস্যাও সমাধান হয়। তিনি বলেন, এদিন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা নেই। তাই আমরা পুলিশ প্রশাসনকে জাগিয়ে তোলার জন্য রাস্তা অবরোধ করলাম। দ্রুত যদি এই সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলন করা হবে।


