আসানসোলে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ, ৩৬৫ ধারা জারি করে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করার দাবি
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* বাংলার বিধানসভা নির্বাচন খুব বেশি দূরে নয়। নির্বাচন কমিশন যে কোন দিন বিধানসভা নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তাই শাসক ও বিরোধী মিলিয়ে রাজনৈতিক দল তাদের তৎপরতা জোরদার করছে।আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে সোমবার আসানসোলের শীতলা এলাকায় বিজেপি জেলা দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করা বিজেপির আসানসোল সাংগঠনিক জেলার তরফে। সেই সাংবাদিক সম্মেলনে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার ও জেলা বিজেপি সভাপতি দেবতনু ভট্টাচার্য উপস্থিত ছিলেন।সাংবাদিক সম্মেলনে জগন্নাথ সরকার বলেন, বর্তমানে বাংলায় এসআইআর বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। কিছু সরকারি আধিকারিক ইচ্ছাকৃতভাবে এই প্রক্রিয়া ব্যাহত করছেন।















তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, রাজ্যে ৩৫৬ ধারা বা রাষ্ট্রপতির শাসন কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে সম্পন্ন করা যাবে না। নির্বাচন কমিশন এদিন একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। সাতজন ইআরও ও এইআরওকে সাসপেন্ড করার আদেশ জারি করেছে। রাজ্যের মুখ্য সচিবকে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় নির্বাচন কমিশন তাদেরকে সরাসরি সাসপেন্ড করেছে। বিজেপি সাংসদ বলেন, কেবল এই সাতজন নন, রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে আরো অনেক ইআরও, এইআরও এবং জেলা প্রশাসনের আধিকারিক রয়েছেন, যারা ইচ্ছাকৃতভাবে এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে জটিল করে তুলছেন। এই আধিকারিকদের সাহায্যে ভোটাররা অবৈধ নথির ভিত্তিতে ভোটার তালিকায় তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করছেন।
জগন্নাথ সরকার বলেন , প্রথম দিন থেকেই বিজেপি দাবি করে আসছে যে কোনও মৃত বা স্থানান্তরিত বা শিফট ও বাংলাদেশী ভোটারের নাম যেন বাংলার চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় না থাকে। এর পাশাপাশি কোন বৈধ ভোটারের নাম যেন বাদ না দেওয়া হয়।জেলা সভাপতি বলেন, দলের আসানসোল সাংগঠনিক জেলায় মোট সাতটি বিধানসভা রয়েছে। তারমধ্যে পাঁচটি তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে রয়েছে। গত ১৫ বছরে এই পাঁচটি বিধানসভায় কোন উন্নয়নমুলক কাজ হয়নি। এই পাঁচটি বিধানসভার বিধায়করা সরাসরি দূর্নীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। আমরা এই পাঁচটি বিধানসভার নিয়ে চার্জশিট তৈরি করেছি। যা নিয়ে আমরা ভোটারদের কাছে যাবো।


