আসানসোল আদালতে চাঞ্চল্য, জাল আধার দিয়ে মামলা তোলার অভিযোগে, আটক লিঙ্কম্যান
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* জাল আধার কার্ড ব্যবহার করে আদালতে নকল এক ব্যক্তিকে আসল মামলাকারী হিসেবে দাঁড় করিয়ে মামলা প্রত্যাহার করার অভিযোগ উঠলো। শুক্রবার আসানসোল জেলা আদালতে এই ঘটনার জানাজানি হওয়ার পরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে এক লিঙ্কম্যানকে আটকে রাখেন আসানসোল বার এ্যাসোসিয়েশননের সদস্যরা। পরে ঐ অভিযুক্ত যুবককে আসানসোল দক্ষিণ পুলিশের হাতে তুলে দেন বার এ্যাসোসিয়েশনের আইনজীবীরা। আটক ঐ যুবকের নাম অর্ণব দে। তার বাড়ি আসানসোলের সালানপুর থানার ক্ষুদিকা গ্রামে।














জানা গেছে , জনৈক দুলাল চন্দ্র ঘোষের নামে একটি আধার কার্ড আসানসোল আদালতে জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই নথির ভিত্তিতে ২০২৫ সালের একটি মামলা প্রত্যাহারের জন্য আদালতে আবেদন করা হয়েছিল। পরে জানা যায় যে যার পক্ষে ঐ আধার কার্ড দিয়ে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হয়েছিল তিনি প্রকৃত মামলাকারী নন। সবটাই জাল। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর, ২০২৫ সালের ১ নভেম্বর আসানসোল দক্ষিণ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিলো। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত করছিলো।
শুক্রবার গোটা বিষয়টি যার মাধ্যমে হয়েছিলো সেই যুবক অর্ণব দে আসানসোল আদালতে আসে। বার এ্যাসোসিয়েশনের সদস্য আইনজীবীরা তখন তাকে ধরে বার এ্যাসোসিয়েশনে নিয়ে আসেন। আসানসোল দক্ষিণ থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়। পুলিশ বিষয়টির তদন্ত করছে বলে জানা গেছে।এই জালিয়াতির সাথে আর কারা জড়িত তা বার করার চেষ্টা পুলিশ করছে।পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ঐ যুবককে আটক করে জেরা করা হচ্ছে। এই প্রসঙ্গে, আসানসোল বার এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অয়ন রঞ্জন মুখোপাধ্যায় বলেন, গোটা বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পরে আসানসোল দক্ষিণ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিলো। ঐ যুবক এদিন আসানসোল আদালতে এলে, আমরা তাকে ধরি। পরে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।


