সাহিত্য, সংস্কৃতি ও আতিথেয়তার এক অনন্য মেলবন্ধনে রূপনারায়ণপুরে
বেঙ্গল মিরর, রূপনারায়ণপুর : রবিবার অনুষ্ঠিত হয়ে গেল ২১তম ‘লহমা উৎসব’। ‘সাহিত্য লহমা’ পত্রিকার উদ্যোগে আয়োজিত এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে একাধীক রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তের কবি, সাহিত্যিক ও গুণীজনদের সমাগমে এক জমজমাট সাহিত্য আসরের সাক্ষী থাকল রূপনারায়ণপুরবাসী।উৎসবের মূল আকর্ষণ ছিল সম্মাননা ও পুরস্কার প্রদান পর্ব সঙ্গে স্বরচিত কবিতা পাঠ। এবছর সাহিত্যের আঙিনায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ মর্যাদাপূর্ণ ‘লহমা পুরস্কার’ প্রদান করা হয় বিশিষ্ট সাহিত্যিক নলিনী বেরা-কে। পাশাপাশি, সাহিত্য ও সাংবাদিকতার জগতে উল্লেখযোগ্য কাজের জন্য একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে সংবর্ধিত করা হয়।














সংবর্ধিত অতিথিদের মধ্যে ছিলেন প্রবীণ বিশিষ্ট সাংবাদিক কবি ও আবৃত্তিকার বিশ্বদেব ভট্টাচার্য, কবি পার্থপ্রতিম আচার্য, কবি জহর মিশ্র, কবি প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সাহিত্যিক সুকুমার রুজ এবং সাহিত্যিক দিগেন বর্মণ প্রমুখ।সমগ্র অনুষ্ঠানটি সুচারুভাবে সম্পন্ন হয় ‘সাহিত্য লহমা’ পত্রিকার সম্পাদক কল্যাণ ভট্টাচার্যের নির্দেশনায়। তাঁর তত্ত্বাবধানে এবং সাহিত্যপ্রেমী মানুষদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ মুখরিত হয়ে ওঠে।দিনভর ছিল নানা কর্মসূচির আয়োজন। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য ছিল ‘কবি সম্মেলন’, যেখানে উপস্থিত কবিরা তাঁদের স্বরচিত কবিতা পাঠ করে শোনান। বিশেষ করে মহিলা কবিদের কবিতা পাঠের যোগদান উল্লেখযোগ্য ঘটনা। আয়োজকদের পক্ষ থেকে কল্যাণ ভট্টাচার্য জানান, দীর্ঘ দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে ‘লহমা উৎসব’ বাংলা সাহিত্য চর্চায় এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ২১তম বর্ষে এসে সেই ঐতিহ্য আরও একবার জাঁকজমকপূর্ণভাবে উদযাপিত হলো। এদিন একাধিক কবি ও গল্পকারের বই প্রকাশিত হয়।


