” ভালনারিবিলিটির ম্যাপিং” এ জোর, পশ্চিম বর্ধমানের পুলিশ ও সিভিল সেক্টর অফিসারের প্রশিক্ষণ
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ নির্বাচন কমিশন রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন ঘোষণার আগে সবরকমের প্রস্তুতি শেষ করার উপর জোর দিচ্ছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার নির্বাচনী আধিকারিক ( ডিস্ট্রিক্ট ইলেকশন অফিসার বা ডিইও) বা জেলাশাসক এস পোন্নাবলম তত্ত্বাবধানে শনিবার আসানসোলের রবীন্দ্র ভবনে পুলিশ সেক্টর অফিসার এবং সিভিল সেক্টর ম্যাজিস্ট্রেটদের জন্য একটি প্রশিক্ষণ শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রশিক্ষণ শিবিরে ” ভালনারিবিলিটি ম্যাপিং ” প্রক্রিয়ার উপরে জোর দেওয়া হয়েছে। এর পাশাপাশি এদিনের প্রশিক্ষণ শিবিরে সেক্টর অফিসারদের ভালনারিবিলিটি ম্যাপিংয়ে তথ্য সংগ্রহ সম্পর্কে করা হয়েছে। নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালীন ভোটারদের আস্থা কিভাবে বাড়ানো যায় সে সম্পর্কেও সেক্টর পুলিশ অফিসারদের অবহিত করেন জেলার ডিইও।














এদিনের এই প্রশিক্ষণ শিবিরে আসানসোল দুর্গাপুরের পুলিশ কমিশনার সুনীল কুমার চৌধুরী, আসানসোলের মহকুমাশাসক (সদর) বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য, দুর্গাপুরের মহকুমাশাসক সুমন বিশ্বাস সহ জেলার নির্বাচনী আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন।
শিবিরে সেক্টর অফিসারদের উদ্দেশ্যে জেলার ডিইও এস পোন্নাবলম বলেন, ১৬ মার্চের আগে যে কোন দিন নির্বাচন ঘোষণা করা হতে পারে, এমন একটা সম্ভাবনা রয়েছে । কারণ তার আগে নির্বাচন কমিশনের দল রাজ্যে আসবেন। নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরেই রাজ্যে এমসিসি বা মডেল কোড অফ কনডাক্ট ( আদর্শ আচরণবিধি) কার্যকর হয়ে যাবে। তাই সেক্টর অফিসারদের আগে থেকেই প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। কারণ তারা তৃণমূল স্তরে জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিত্ব করেন। নির্বাচন সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেন তারা। তিনি আরো বলেন, আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হওয়ার পরে সেক্টর অফিসারদের নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিত কাজগুলি সম্পন্ন করতে হবে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই কিছু নতুন নির্দেশিকাও জারি করেছে। যা এই প্রশিক্ষণ শিবিরে আলোচনা করা হয়েছে।
জানা গেছে, একজন সেক্টর অফিসার প্রায় ১০টি ক্ষেত্র কভার করেন। একজন সিভিল সেক্টর অফিসার ও পুলিশ সেক্টর অফিসারকে এই ক্ষেত্রগুলিতে কাজ করতে হবে। তাদেরকে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে এবং জেলা প্রশাসনের কাছে জমা দিতে হবে। এদিন প্রায় ৪০০ জনকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে বলে জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে।





