সরকারি নির্ধারিত মূল্যে বালি সরবরাহের দাবি পান্ডবেশ্বরের বিডিওর দারস্থ নির্মাণ শ্রমিক ও ট্রাক্টর মালিকরা, অফিসে বিক্ষোভ
*বেঙ্গল মিরর, পান্ডবেশ্বর, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* কয়েক মাস ধরে এলাকায় বালির অভাব ও সংকটে একপ্রকার বন্ধ একাধিক নির্মাণ কাজ। তাতেই সমস্যায় পড়েছেন রাজমিস্ত্রি , লেবার থেকে ট্রাক্টর মালিকরাও। দ্রুত ও তৎপরতার সাথে এই সংকট মিটিয়ে সরকারি নির্ধারিত মূল্যে এলাকায় বালি সরবরাহ করার দাবিতে মঙ্গলবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার পাণ্ডবেশ্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিওর দ্বারস্থ হলো নির্মাণ কাজে যুক্ত শ্রমিক, রাজমিস্ত্রীর পাশাপাশি ট্রাক্টর মালিকরাও। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল ও ২৯ এপ্রিল দু-দফায় রাজ্যে হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন।














৪ মে প্রকাশিত হয়েছে তার ফল । বিপুল সংখ্যায় আসন নিয়ে প্রথমবার রাজ্যে সরকার তৈরি করে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। আর তারপরেই একাধিক অবৈধ কারবারে থাবা বসাতে শুরু করেছে নতুন সরকার ও প্রশাসন। যার ফলস্বরূপ জেলার চারিদিকে অজয় এবং দামোদর নদীকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অবৈধ বালি পাচার চক্র এখন পুরোপুরি বন্ধ। তার মধ্যে রয়েছে বালি। বৈধ কিছু বালি ঘাট চালু রয়েছে। সেই বৈধ বালি ঘাট থেকে বালি কিনতে মোটা অংকের টাকা গুনতে হওয়ায় ব্যাপক সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ।
আর সুলভ মূল্যে এবং পর্যাপ্ত বালি না পাওয়া যাওয়ায় আবাসের ঘর থেকে শুরু করে সমস্ত রকমের নির্মাণ কার্য প্রায় ব্যাহত হয়ে পড়েছে। দীর্ঘ কয়েক মাস ধরে এমন পরিস্থিতিতে নির্মাণ কাজের সাথে যুক্ত রাজমিস্ত্রী, শ্রমিকদের হেঁসেলেও টান পড়তে শুরু করেছে।সেই কারণেই সরকারি ন্যায্য মূল্যে এলাকায় বালি সরবরাহের দাবিতে মঙ্গলবার পাণ্ডবেশ্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের দ্বারস্থ হন এলাকার নির্মাণ শ্রমিক, রাজমিস্ত্রী ও ট্রাক্টর মালিকরা।এদিন ব্লক অফিসে আসা এক রাজমিস্ত্রি জানান, বিগত চার মাস ধরে একেবারে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন তারা।
সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এই অবস্থায় যদি সরকারি ন্যায্য মূল্যে বালির না পাওয়া যায় তাহলে আগামী দিনে তাদের অবস্থা আরো করুণ হয়ে পড়বে। তাই প্রশাসনের কাছে আমরা দারস্থ হয়েছি যথাশীঘ্রই যেন প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করেন। অন্যদিকে, এই প্রসঙ্গে পাণ্ডবেশ্বর ব্লক সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক বা বিডিও গোপাল সরকার বলেন, এলাকার বেশ কিছু নির্মাণ শ্রমিক ও ট্রাক্টর মালিকরা তার কাছে বালির সমস্যা নিয়ে এসেছিলেন। তিনি বলেন, এই বিষয়টি ভূমি রাজস্ব আধিকারিক দপ্তরের দেখার বিষয়। এলাকার মানুষের কথা শুনে আমি আমার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে তাদের বিষয়টি জানাবো বলে তিনি আশ্চর্য দিয়েছেন।


