সালানপুর তৃণমূল কংগ্রেস ও হিন্দুস্তান কেবেলস পূর্ণবাসন কমিটির সাংবাদিক সম্মেলন

বেঙ্গল মিরর, রিক্কী বাল্মীকি,সালানপুর:-
শনিবার সকালে সালানপুর তৃণমূল কংগ্রেস ও হিন্দুস্তান কেবেলস পূর্ণবাসন কমিটির রূপনারায়ানপুর তৃণমূল কংগ্রেসের মুখ্য কার্যালয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করা হয়।
এই সাংবাদিক সম্মেলন সালানপুর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি তথা জেলা পরিষদ কর্মদক্ষ মহম্মদ আরমান জানান
হিন্দুস্তান কেবেলসের ডাকঘর নিয়ে হিন্দুস্তান কেবেলস পূর্ণবাসন কমিটি ২০১৭ সাল থেকে লড়াই করে চলেছে,হিন্দুস্তান কেবেলস কারখানা বন্ধ হওয়ার পর 
হিন্দুস্তান কেবেলস কর্তৃপক্ষ এই ডাকঘর রূপনারায়ানপুর নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছিলেন, তখন থেকে বারাবনি বিধায়ক ও সালানপুর তৃণমূল কংগ্রেসের সহযোগিতায় পূর্ণবাসন কমিটি ২০১৭ সাল থেকে লড়াই করে,৭বার মোট হিন্দুস্তান কেবেলস  কর্তৃপক্ষকে স্বারকলিপি দিয়ে একটা সাফল্য অর্জন করা হয়েছে,এই ডাকঘর রূপনারায়ানপুর স্থানান্তরিত না করে সাধারণ মানুষের সুবিধার স্বার্থে দেশবন্ধু পার্কের সামনে নেওয়া যাওয়া হচ্ছে,কিছু দিন আগে হিন্দুস্তান কেবেলসের কর্তৃপক্ষ টিম এসে দেশবন্ধু পার্কে একটি ঘর দেখে যান, এবং কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নেয় এই ডাকঘর
এই ঘরের মধ্যে স্থানান্তরিত করা হবে।

riju advt

তাছাড়া সালানপুর ব্যাবসায়ীদের সুবিধার স্বার্থে সালানপুর ব্লকের সমস্ত বাজারের সময়সীমা পরিবর্তন করা হয়েছে,আজ শনিবার থেকে সমস্ত বাজার সকাল ৬টা থেকে রাত্রি ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে।
কিন্তু দোকানদার ও গ্রাহকদের এই কথা মেনে চলতে হবে, সামাজিক দূরত্ব এবং সবাইকে মুখে মাক্স ব্যাবহার করতে হবে, এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে কারণ বর্তমান সময়ে সালানপুর এলাকায় করোনা পজিটিভ নেই, তার মানে এই নয় যে সরকারি নিয়ম মানা হবে না।
এই প্রসঙ্গে হিন্দুস্তান কেবেলস পূর্ণবাসন কমিটির সভাপতি সুভাষ মহাজন বলেন এই ডাকঘর নিয়ে পূর্ণবাসন কমিটি প্রথম থেকে লড়াই করে এসেছে, এবং বারাবনি বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় এবং সালানপুর তৃণমূল কংগ্রেস সর্বদায় পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন,হিন্দুস্তান কেবেলস কর্তৃপক্ষ বন্ধ হওয়ার পর থেকে এই ডাকঘর রূপনারায়ানপুর স্থানান্তরিত করার পরিকল্পনা করছিলেন,কিন্তু সেই সময় ধরে লড়াই চালিয়ে আজ আমরা সাফল্য অর্জন করেছি,হিন্দুস্তান কেবেলস কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে এই ডাকঘর হিন্দুস্তান কেবেলস এলাকার মধ্যে রইছে, মাত্র ৫০০ মিটার দূরে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এই ডাকঘরকে।
এই সাফল্যের জন্য আমি বিধায়ক বিধান উপাধ্যায় ও সালানপুর তৃণমূল কংগ্রেস এবং সমস্ত সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাই সেই সময় ধরে আমাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকার জন্য।