আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা আব্দুল লতিফের,বাড়লো জামিনের মেয়াদ
১১৪ দিন পরে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত থেকে জামিনে মুক্ত রত্নেশ ভার্মা
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়, দেব ভট্টাচার্য ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ গরু পাচার মামলায় ( Cattle Smuggling Case ) আবদুল লতিফ ( Abdul Latif ) সোমবার সকালে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ( Asansol CBI Special Court ) আবারও হাজিরা দিলেন। শুনানি শেষে বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী তার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়েছেন। আগামী ১৩ জুন এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে বলে বিচারক এদিন নির্দেশ দেন। সেদিন তাকে আবার সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা দিতে হবে।এর আগে, গত ৮ মে আব্দুল লতিফ আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন। সেদিন তার জামিনের মেয়াদ বাড়িয়ে বিচারক ২০ মে পরের শুনানি হবে বলে বিচারক জানিয়েছিলেন। সেই মতো এদিন আব্দুল লতিফ আদালতে হাজিরা দেন।














শুনানি শেষে তার আইনজীবী শেখর কুন্ডু বলেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো এদিন আমার মক্কেল হাজিরা দিয়েছেন। সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসারের কাছে চারদিন অন্তর হাজিরা দেওয়ার যে শর্ত রয়েছে, তা সাতদিন অন্তর করার আবেদন এদিন বিচারকের কাছে করা হয়েছিলো। কিন্তু বিচারক তা নাকচ করেন। বাকি সব শর্ত একই আছে। আমরা সুপ্রিম কোর্টে আবারও আবেদন করেছি।
প্রসঙ্গতঃ, সুপ্রিম কোর্ট থেকে রক্ষা কবচ পেয়ে গত ২৭ এপ্রিল আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে হাজির হয়েছিলেন আবদুল লতিফ। তার আইনজীবীর মাধ্যমে তিনি আদালতকে বলেছিলেন যে তিনি তদন্তকারীদের সহযোগিতা করবেন। গরু পাচার মামলায় বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী তাকে ১৫ হাজার টাকার বন্ড সহ একাধিক শর্ত সাপেক্ষে জামিন দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য , গরু পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত আবদুল দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তাকে সুপ্রিম কোর্ট রক্ষাকবচ দিয়েছিল।
অন্যদিকে, বিজেপি নেতা কয়লা কারবারি রাজু ঝাঁ খুন হওয়ায় সময় তাকে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়। অভিযোগ, গত ১ এপ্রিল বর্ধমানে শক্তিগড়ে যে গাড়িতে বসে থাকার সময় রাজু দূষ্কৃতিদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়, ঐ গাড়িতে লতিফ ছিলো। পরে সে বেপাত্তা হয়ে যায়। এখনো পর্যন্ত পুলিশ রাজু ঝাঁ মৃত্যুর তদন্তে লতিফের বিরুদ্ধে কোন পদক্ষেপ নেয়নি।
কয়লা পাচার মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত হিসাবে সিবিআইয়ের হাতে গ্রেফতার হওয়া রত্নেশ ভার্মা ১১৪ দিন পরে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালত থেকে জামিন পেলেন। আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগার বা জেলে থাকা রত্নেশ ভার্মার জামিনের জন্য তার আইনজীবী শেখর কুন্ডু এদিন আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে আবেদন করেছিলেন। সেই আবেদনের স্বপক্ষে আইনজীবী একাধিক যুক্তি ও তথ্য এদিন বিচারকের সামনে পেশ করেন। তিনি বলেন, গত ৩১ জানুয়ারি থেকে রত্নেশ গ্রেফতার হওয়ার পরে আসানসোল জেল বা বিশেষ সংশোধনাগারে আসেন। এই মামলায় অধিকাংশ অভিযুক্তরা গ্রেফতার হওয়ার পরে জামিনে বাইরে আছেন। তাই তাকেও যেকোন শর্তে জামিন দেওয়া হোক। তখন সিবিআইয়ের আইনজীবী রাকেশ কুমার সেই জামিনের বিরোধিতা করেন। তিনি বলেন, এখনো তদন্ত চলছে। অনেককে জেরা করা হচ্ছে।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী রত্নেশের জামিনের আবেদন এদিন মঞ্জুর করেন। তবে সেই জামিনে আদালত তাকে বেশকিছু শর্ত দিয়েছে। পরবর্তী শুনানি আগামী ১৩ জুন হবে বলে বিচারক নির্দেশ দেন।
পরে আইনজীবী শেখর কুন্ডু সাংবাদিকদের বলেন, রত্নেশ ভার্মার জামিন দেওয়ায় যেসব শর্ত তার মধ্যে অন্যতম হলো, তাকে পাসপোর্ট জমা রাখতে হবে। পশ্চিমবঙ্গের বাইরে যেতে পারবে না ও সাতদিন অন্তর সিবিআইয়ের তদন্তকারী অফিসার বা আইও কাছে হাজিরা দিতে হবে।
প্রসঙ্গতঃ, এই কয়লা পাচার মামলায় আপাততঃ আসানসোল জেলে রয়েছেন সম্প্রতি গ্রেফতার হওয়া ইসিএলের প্রাক্তন ডিরেক্টর টেকনিক্যাল ( প্রাক্তন ভারপ্রাপ্ত সিএমডি বা চেয়ারম্যান কাম ম্যানজিং ডিরেক্টর) সুনীল কুমার ঝাঁ ও সিআইএসএফের ইন্সপেক্টর আনন্দ কুমার সিং। ৪ দিনের সিবিআই হেফাজত শেষে তাদের ১৪ দিনের জেল হেফাজত হয়েছে।
- আসানসোলে পোস্ট অফিস স্থানান্তরের বিরোধিতা ,পোস্টার হাতে বিক্ষোভ বাসিন্দাদের
- আসানসোল নর্থ পয়েন্ট স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠান উদযাপন
- ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিবাদে রণক্ষেত্র বরাকর, ছোঁড়া হলো পাথর , চললো গুলি, জখম চার মহিলা
- Barakar Clash : दो गुटों में हिंसक झड़प, फायरिंग के आरोप
- আসানসোলে অভিনব গিনি হাউসে লাকি ড্র প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের পুরষ্কার


