বিজেপি সাংসদ রমেশ বিধুরীর আপত্তিকর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করলেন রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজা
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ রাজ্যের মন্ত্রী ডাঃ শশী পাঁজা সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ মহুয়া মৈত্র সম্পর্কে বিজেপি নেতা সাংসদ রমেশ বিধুরীর করা আপত্তিকর বক্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, এটাই প্রমাণ করে যে ভারতীয় জনতা পার্টি বা বিজেপি নারীদের সম্পর্কে কি ভাবে। মন্ত্রী বলেন, যদি ভারতীয় জনতা পার্টি রমেশ বিধুরীর এই বক্তব্যের সাথে একমত না হতো, তাহলে এতক্ষণে রমেশ বিধুরী’র কাছে জবাব চাওয়া হতে। অথবা দল তার করা এই বক্তব্য থেকে নিজেদেরকে দূরে সরিয়ে নিতো। কিন্তু এরকম কিছুই করা হয়নি। এর থেকে বোঝা যায় যে এটি কেবল রমেশ বিধুরী’র বক্তব্য নয়, এটি সমগ্র ভারতীয় জনতা পার্টির বক্তব্য।




শশী পাঁজা বলেন, এটি আশ্চর্যজনক নয় কারণ এটি ভারতীয় জনতা পার্টির সংস্কৃতি। তারা নারীদের সম্মান করতে জানে না। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সরাসরি আক্রমণ করে তিনি বলেন, গত নির্বাচনে সবাই দেখেছে কিভাবে তিনি রাজ্যের মহিলা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন। যদি ভারতীয় জনতা পার্টি এভাবে নারীদের অপমান করতে থাকে, তাহলে রাজ্যের মানুষ এটিকে আরও বেশি প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টির নেতা ও মন্ত্রীদের মৌসুমী পাখি বলে অভিহিত করে বলেন, যখনই বাংলায় নির্বাচন আসে, ভারতীয় জনতা পার্টির নেতারা আসেন। কিন্তু তার পরে তাদের দেখা যায় না। ২০২৬ সালের নির্বাচন আসতে চলেছে, তাই ভারতীয় জনতা পার্টির নেতারা আবার বাংলায় আসছেন।
কিন্তু তারা যেভাবে নারীদের অপমান করছেন, রাজ্যের মানুষ তাদের কখনই ক্ষমা করবেন না। এর পাশাপাশি তিনি, রাজ্য নির্বাচন কমিশনারের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠক করা নিয়ে তিনি বলেন, বুথ বিন্যাস নিয়ে সেখানে আলোচনা করা হয়েছে। ঐ বৈঠকে আমাদের দলের মন্ত্রী ও সাংসদ গেছিলেন। দলের তরফে নির্বাচন কমিশনকে যা বলার তারা বলেছেন। বুথ বাড়ানো হলে, তা যেন ভোটারদের কথা ভেবে, কাছাকাছি করা হয়। এসআইআর নিয়ে দলের বক্তব্য রাখা হয়েছে। এসএসসি শিক্ষক নিয়োগের মামলা নিয়ে মন্ত্রী বিশেষ কিছু বলতে চাননি। তিনি বলেন, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট, যা নির্দেশ দিচ্ছে, তেমন করা হচ্ছে।