চৌরাঙ্গী এলাকায় পরিবহন দপ্তরের চার আধিকারিকের বিরুদ্ধে সিএম ও সিপিকে অভিযোগ
বেঙ্গল মিরর, কাজল মিত্র :- আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনার এলাকার ন্যাশনাল হাইওয়ে জাতীয় সড়কের উপর চৌরঙ্গী মোড় এর কাছে রয়েছেপরিবহন দপ্তরের অফিস । আর এই পরিবহন দপ্তরের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে প্রায়শই নানাই অভিযোগ উঠে আসে। কখনো গাড়ি চালকদের মারধোর তো কখনো তাদের কাছে কাগজ কেড়ে নিয়ে টাকা নিয়ে রসিদ দেওয়া হয় না । বেশ কয়েক মাস আগে এরকম এক অভিযোগের ঘটনা প্রকাশ এসেছিল। আবারও এমন অভিযোগ উঠে এলো এমবিআই দপ্তরের আধিকারিকদের উপর । এবার শুধু অভিযোগ নয় ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানান আসানসোল কোর্টের এক আইনজীবী।














আসানসোল আদালতের আইনজীবী জানান আসানসোলের চৌরাঙ্গী এলাকায় পরিবহন দপ্তরের বেশ কয়েকজন আধিকারিক বাইরের রাজ্য থেকে আসা গাড়ির ওপর অযথা জরিমানা করছে। গাড়ি ওভারলোড না থাকলেও ওভারলোড বলে হাজার হাজার টাকা জরিমানা করছে। সেই জরিমানা আবার নগদে দিতে হচ্ছে। শুধু তাই নয় গাড়ি পিছু দু হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে যার কোনো রশিদ দেওয়া হচ্ছে না।
আইনজীবী বীরেন্দ্র কুমার সিং জানান মাত্র কয়েকদিন আগে এমন ই এক ট্রাককে মাঝরাস্তায় দাঁড় করায় পরিবহন দপ্তরের বেশ কয়েকজন অফিসার। 30000 টাকা জরিমানা হিসেবে চায়। টাকা দিতে অস্বীকার করে চালক। তাও তার কাছে 2000 টাকা নেওয়া হয় এবং গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে নেওয়া হয় এবং পরিবহন দপ্তরের পার্কিং এ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এর পর ওভারলোড এর জরিমানা করায় গাড়ির মালিক জানায় যে গাড়িতে অতিরিক্ত পণ্য নেই। যদি অতিরিক্ত পণ্যের জন্য জরিমানা করা হচ্ছে তাহলে অতিরিক্ত পণ্য সহ গাড়ি ফেরত দেওয়া হোক। কিন্তু তারপরও সমাধান সূত্র না বেরোনোয় ট্রাক মালিক আইনজীবী বীরেন্দ্র কুমার সিং কে জানান। কিন্তু বীরেন্দ্র কুমার সিং ঘটনাস্থলে গেলে তাকে ধাক্কা ধাক্কি করা হয়। অসভ্য ভাষা ব্যবহার করা হয় বলে আইনজীবীর অভিযোগ।
ঘটনার সম্পুর্ন বিবরণ জানিয়ে উক্ত আইনজীবী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্য পরিবহন দপ্তর, আসানসোলের পুলিশ কমিশনার কেও লিখিত ভাবে জানান। এবং আজ সকালে আসানসোল আদালতে চার পরিবহন দপ্তরের আধিকারিকের বিরুদ্ধে এফ আই আর করেন উক্ত আইনজীবী।আইনজীবী দের দাবি আদালত যোগ্য ব্যবস্থা নেবে সে কারণেই আদালতের দারোস্ত হয়েছেন তিনি।যদিও পশ্চিম বর্ধমান জেলার এ ডি এম জেনারেল সুহাসিনী ই জানান সরকারকে টাকা দিলে তার রশিদ পাওয়া যাবেই। যদি এ রকম কোনো অভিযোগ উঠছে তা তদন্ত করা হবে।
লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করবে প্রশাসন।প্রসঙ্গত, উক্ত এলাকায় চালক দের অভিযোগ বাইরের গাড়ি এলেই যেমন তেমন জরিমানা করা হয়। মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়। পার্কিং এ গাড়ি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। টাকা নিয়ে রশিদ ও দেওয়া হয় না। কিন্তু কেউ কিছু ই করে না।তবে সরকারি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে আইনজীবীর করা মামলায় শোরগোল ফেলে দিয়েছে এলাকায়। কি চলছে উক্ত এলাকায় সেদিকেই চোখ শিল্পঞ্চবাসীর।

