আসানসোলের মন্ত্রী ও সাংসদকে আক্রমণ বিজেপি নেতার
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ২০২৬ সালের বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন আসতে এখনো কয়েক মাস বাকি। কিন্তু শেষ ডিসেম্বরের শীতে সেই নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের বক্তব্য আসানসোল শহর তথা শিল্পাঞ্চলের রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়িয়ে দিচ্ছে।মঙ্গলবার সকালে সমাজকর্মী তথা বিজেপি নেতা কৃষ্ণ প্রসাদ আসানসোলের কাল্লায় তার আবাসিক কার্যালয়ে করা সাংবাদিক সম্মেলন থেকে আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা ও আসানসোল উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের আইন ও শ্রম মন্ত্রী মলয় ঘটক সহ রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারকে নিশানা করেন।














তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রসঙ্গ টেনে আক্রমণ করেন।কৃষ্ণ প্রসাদ বলেন, বহু বছর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও মন্ত্রীরা যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা এখনও বাস্তবে পরিণত হয়নি। তিনি সরাসরি মন্ত্রী মলয় ঘটককে প্রশ্ন করে বলেন, আসানসোলের উষাগ্রাম থেকে বিএনআর পর্যন্ত একটি ওভারব্রিজ তৈরির প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনও নির্মাণকাজ শুরু হয়নি বা কোনও সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ দেখা যায়নি।
মেডিকেল কলেজ, মাদক মুক্ত আসানসোল এবং উর্দু কলেজ প্রতিষ্ঠার মতো অনেক বড় বড় প্রতিশ্রুতি কেবল ঘোষণাই থেকে গেছে।কৃষ্ণ প্রসাদ জামুরিয়া এলাকায় কয়লা মাফিয়াদের প্রকাশ্যে সক্রিয় থাকার অভিযোগও করেন। তিনি আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহাকেও টার্গেট করে বলেন, সাংসদকে সর্বদা অন্যদের সমর্থন করতে দেখা যায়। কিন্তু তার নিজের এলাকার সমস্যা সমাধানে তার উপস্থিতি এবং সক্রিয়তার অভাব রয়েছে। তিনি মাঝেই আসানসোলে আসেন ও কেবল মাত্র কয়েকটি ফিতে কেটে চলে যান।
তিনি বলেন, গত কয়েকদিনের মধ্যে বিজেপি আসানসোলের জিটি রোডে গীর্জা মোড়, জামুরিয়া এবং আসানসোলের ডামরায় সভা করেছে। এর জবাবে, তৃণমূল কংগ্রেস একই জায়গায় পাল্টা সভা করে। যা প্রমাণ করে যে বিজেপির ক্রমবর্ধমান শক্তিতে তৃণমূল কংগ্রেস ভীত। মুসলিম সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন নিশ্চিত, এবং উন্নয়ন সকলের জন্য হবে। তিনি আরো দাবি করেন যে ২০২৬ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থক মানুষও নীরবে পদ্ম প্রতীকের পক্ষে ভোট দেবেন।


