বার্নপুরে বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কারখানা বন্ধের পরে বেহাল স্কুল, পড়ুয়াদের আনতে এক অভিনব উদ্যোগ
বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভর্তির জন্য লিফলেট বিলি শিক্ষকদের
বেঙ্গল মিরর, বার্নপুর, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* বেশ কয়েক বছর হলো পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বার্নপুরে বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কারখানা বন্ধ হয়েছে। সেই কারখানা বন্ধ হওয়ার পর থেকে বার্নপুরের ওয়াগন কলোনি একটা জনশূন্য শহরের মতো হয়ে পড়েছে। এদিকে, বার্ন স্ট্যান্ডার্ড কারখানা পরিচালিত বারি প্রাইমারি স্কুলের অবস্থা দিন দিন খারাপ হচ্ছে। স্কুলের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কারণে স্বাভাবিক ভাবেই পড়ুয়ার সংখ্যা কমে যাচ্ছে। তবে, বার্নপুরের আইএনটিইউসি নেতা হরজিৎ সিং, স্থানীয় বাসিন্দা এবং স্কুলের শিক্ষকদের প্রচেষ্টার ফলে স্কুলের ভবিষ্যৎ এখন উজ্জ্বল হতে শুরু করেছে।গত দুই বছর ধরে, বার্নপুর সেল আইএসপি বা ইস্কো কারখানার সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসেবলিটির উদ্যোগের আওতায় এই স্কুলের শিশুদের শিক্ষা সামগ্রী, পাঠ্যপুস্তক এবং ইউনিফর্ম দিয়ে উন্নত শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।এর পাশাপাশি স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি এবং এই উদ্যোগ থেকে আরও বেশি করে ছেলেমেয়ে যাতে উপকৃত হয় তা নিশ্চিত করার জন্য অনন্য ও অভিনব এক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।














স্কুলের টিচার বা শিক্ষক ইনচার্জ বিকাশ কুমার সিং, স্কুল প্রশাসক বা এ্যাডমিনিস্ট্রেটার প্রদীপ কুমার গিরি, জিআর সদস্য সিন্টু কুমার এবং রাজু কুমার বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিতরণ করে লোকেদেরকে তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করার আহ্বান জানাচ্ছেন।রবিবার, স্কুলের টিচার ইনচার্জ বিকাশ কুমার সিংয়ের নেতৃত্বে শিক্ষকেরা সাঁতা ডাঙ্গাল, ওয়াগন কলোনি সহ বিভিন্ন এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে লিফলেট বিলি করেন। তাদের তরফে অভিভাবকদের স্কুলে শিশুদের ভর্তির জন্য আবেদন করা হয়।
এই প্রসঙ্গে টিচার ইনচার্জ বিকাশ কুমার সিং বলেন , সেল আইএসপি বা ইস্কো কারখানার সিএসআর উদ্যোগের আওতায়, স্কুলের শিশুদের স্কুল ব্যাগ, বই, ইউনিফর্ম, সকালে দুধ এবং মধ্যাহ্নভোজ সহ সমস্ত কিট রুটিন অনুসারে দেওয়া হয়। বর্তমানে এই স্কুলে পড়ুয়ার সংখ্যা ১৫৫ জন। স্কুল সংলগ্ন এলাকার অনেক বেশি সংখ্যায় শিশুরা যাতে উন্নত শিক্ষা এবং সুযোগ-সুবিধা পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে, লোকেদের তাদের সন্তানদের স্কুলে ভর্তি করার জন্য আহ্বান জানানো হচ্ছে। আমাদের আশা, এই চেষ্টা বিফলে যাবেনা। আমরা সাড়া পাবো।


