আসানসোলের আশা ও সাফাই কর্মীদের পাশে বিজেপি নেতা দিলেন চাল
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের সমাজসেবী তথা বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদ মঙ্গলবার দুপুরে আসানসোলের ১৯ নং জাতীয় সড়কের কাল্লা এলাকায় নিজের বাসভবনের কাছে একটি মাঠে আসানসোল পুরনিগমের সাফাই কর্মী এবং আশা কর্মীদের খাদ্য হিসেবে চাল বিতরণ করেন।প্রসঙ্গঃ, বেতন বৃদ্ধি সহ একাধিক দাবিতে সারা রাজ্যের পাশাপাশি আসানসোল পুরনিগমের আশা কর্মীরা গত ২৩ ডিসেম্বর থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন। একইভাবে, গত পাঁচ দিন ধরে আসানসোল পুরনিগমের সাফাই কর্মীরাও তাদের দাবি আদায়ের জন্য ধর্মঘটে রয়েছেন।














এদিন কৃষ্ণ প্রসাদ প্রায় ১,৫০০ জনকে এক বস্তা চাল বিতরণ করেন। যাদেরকে এই চাল দেওয়া হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছেন সাফাই কর্মী এবং আশা কর্মী। এই প্রসঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষ্ণা প্রসাদ বলেন, আশা কর্মী বা সাফাই কর্মীরা আমাদের সমাজের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারা চাকরি করে বেতন পান। কিন্তু সেই বেতন খুবই কম। এই কারণে তাদের পরিবার চালাতে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যে কারণে তারা ধর্মঘটে রয়েছেন। তিনি আশা কর্মী এবং সাফাই কর্মীদের অনুরোধ করেছেন যে তাদের সমস্যার কোনও সমাধান করার ক্ষমতা তার নেই। তবে, তিনি তাদের দাবির প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন।
এর পাশাপাশি তিনি প্রশাসনকে তাদের দাবি সহানুভূতির সাথে বিবেচনা করার এবং যত তাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের ধর্মঘট শেষ করার ব্যবস্থা করার আহ্বান জানিয়েছেন। কারণ এই ধর্মঘট গোটা আসানসোলের মানুষের জন্য সমস্যা তৈরি করছে।এদিকে, এদিন পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিভিন্ন এলাকায় ইডি বা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরের ওসি ও ব্যবসায়ীদের বাড়িতে অভিযানের প্রশ্নে কৃষ্ণা প্রসাদ বলেন, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাদের কাজ করছে। তারা নিশ্চয়ই এমন কিছু তথ্য পেয়েছে যার ভিত্তিতে তারা পদক্ষেপ নেওয়ার প্রয়োজন অনুভব করেছে। তাই এদিম এই অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরেই বলে আসছি যে এই এলাকায় অনেক লোক আছে যাদের উপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা দ্বারা অভিযান চালানো দরকার। তিনি আরো অভিযোগ করেন যে তৃণমূলের বড় নেতা এবং মন্ত্রীরাও এর সাথে জড়িত। এই ব্যবসায়ীদের বাড়ি ও অফিসে অভিযান চালিয়ে তাদের সঠিকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই নেতা এবং মন্ত্রীদের নামও বেরিয়ে আসবে। তখনই প্রকৃত ন্যায়বিচার হবে এবং সাধারণ মানুষ ন্যায়বিচার পাবেন।

