পানীয় জলের দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ
বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী, জামুড়িয়া : জল নেই তো ভোট নেই এই দাবি করে, ও পনেরশো টাকায় কি হবে? জল কিনবো না সংসার চালাবো এমনই সব দাবি করে, এবার আবারো পানীয় জলের দাবিতে জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাল জামুরিয়ার কেন্দা এলাকার বেশ কয়েকটি গ্রামের গ্রামীণেরা। এদিন তারা সকাল ১০ টা থেকে রানীগঞ্জ থেকে পাণ্ডবেশ্বর যাওয়া ১৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়।














বিক্ষোভকারীদের দাবি দীর্ঘ প্রায় সাত আট মাস ধরে পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ রয়েছে তাদের এলাকায়। সমগ্র এলাকাটি কয়লা খনি অধ্যুষিত এলাকা হওয়ায় জল তোর ক্রমশই নেমে গিয়েছে কোথাও কোথাও শুকিয়ে গেছে কুয়ো,পুকুর ও ছোটখাটো জলাশয়। এর জেরে ব্যাপক দুর্ভোগে পড়ছেন একের পর এলাকার মানুষজন। উল্লেখ্য এই সমগ্র এলাকায় কালা ঝরিয়া ওয়াটার প্রজেক্টের আর জল সরবরাহ হয়ে থাকে , কিন্তু দীর্ঘদিন ধরেই সেই ওয়াটার প্রজেক্ট বেহাল হয়ে থাকায় ও তা এখনো পর্যন্ত স্বাভাবিক না হওয়ার কারণে জলের জন্য ব্যাপক হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে।
ইতিমধ্যেই সংলগ্ন এলাকার রানীগঞ্জে দুই অংশে বিক্ষোভের বিষয়ে লক্ষ্য করা যায় এখানেও জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় এলাকাবাসী। এবার সপ্তাহের দ্বিতীয় দিনে কর্মব্যস্ত সময়ে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখা নয় ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে হয় পথ চলতি যানবাহনের যাত্রীদের। অফিস যাত্রী থেকে শুরু করে স্কুল-কলেজের পড়ুয়া সকলেই এই বিক্ষোভের জেরে আটকে পড়ে, যদিও এই বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালায়।
জানা গেছে এর আগেও বেশ কয়েক দফায় জলের জন্য এই অংশে বিক্ষোভে সামিল হয়েছিল এলাকাবাসী , সেসময় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করবার আশ্বাস দেওয়া হয়, কিন্তু তারপরও কোন ব্যবস্থা গ্রহন না হওয়ায় এবার আবার বিক্ষোভে সরব হল তারা। এলাকার বাসিন্দাদের দাবি জল নেই তো ভোট নেই এই বলে তারা দাবি করেন এলাকায় সমস্ত কুয়ো জলাশয় শুকিয়ে যাওয়ার কারণে বাইরে থেকে ৭০০ ৮০০ করে টাকা দিয়ে জলের ট্যাংকার এনে সেই জল ব্যবহার করতে হচ্ছে, তাহলে ওই সরকারের দেওয়া দেড় হাজার টাকায় এত টাকা চলে গেলে বাকি টাকা দিয়ে কিভাবে সংসার চালাবে তারা সেই সব কথা তুলেই সরব হয় তারা। এই মুহূর্তে রাস্তার উপরে বসেই তারা তাদের বিক্ষোভ অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে।


