ASANSOL

পরিবর্তন যাত্রা শেষে বিগ্রেডে নরেন্দ্র মোদির সভা, সফলতার কামনায় আসানসোলে যজ্ঞের আয়োজন বিজেপি নেতার

বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের সমাজসেবী বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদ বুধবার সকালে আসানসোলের ১৯ নং জাতীয় সড়ক কাল্লা এলাকায় নিজের আবাসিক কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানে তিনি বলেন, পরিবর্তন যাত্রার শেষে আগামী ১৪ মার্চ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিগ্রেডে একটি জনসভা করতে আসছেন। সেই কারণে আমার বাসভবনের পাশের মাঠে একটি যজ্ঞের আয়োজন করা হচ্ছে। ব্রিগেডের জনসভা সফল করার জন্য এই যজ্ঞের আয়োজন করা হচ্ছে। তিনি জনগণকে ব্রিগেডের জনসভায় আসার এবং বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদীর কথা শোনার জন্য অনুরোধ করেন।

তিনি আরো বলেন, এখন বাংলায় পরিবর্তনের হাওয়া বইছে। নরেন্দ্র মোদীর আসার সাথে সাথে সেই হাওয়া ঝড়ে পরিণত হবে। তারপর সেই ঝড় তৃণমূল কংগ্রেসকে বাংলার সিংহাসন থেকে খড়কুটোর মতো উড়িয়ে নিয়ে যাবে। এর পাশাপাশি বিজেপি নেতা বলেন, চৈতী ছট উপলক্ষে আমি শীঘ্রই জনগণের মধ্যে পোশাক বিতরণ এবং অন্যান্য কর্মসূচি শুরু করব। এই চৈতী ছট খুব কম সংখ্যায় মানুষ পালন করেন। ২২ মার্চ মানুষ স্নান করে খায়। পরের দিন ২৩ মার্চ খরনা, ২৪ মার্চ অস্ত যাওয়া সূর্যকে অর্ঘ্য এবং ২৫ মার্চ সকালে উঠা সূর্যকে অর্ঘ্য নিবেদন করা হয়। এই মহা উৎসব শেষ হবে সূর্যকে আরও বেশি করে উৎসর্গ করার মাধ্যমে।

এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে কৃষ্ণা প্রসাদ আবারও আসানসোল উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের রেলপাড় এলাকার বেশ কিছু সমস্যার কথাও তুলে ধরেন। তিনি বলেন, এই রেলপাড় এলাকার যুবকরা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছে। কিন্তু পুলিশ প্রশাসন এ ব্যাপারে কোনও মনোযোগ দিচ্ছে না। তিনি আসানসোল উত্তর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরেন। বিজেপি নেতা বলেন, গত ১৫ বছরে বিধায়ক হিসেবে মলয় ঘটক তাদের বিধানসভা এলাকায় কোন উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। ফলস্বরূপ, এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির পাশাপাশি স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং সামাজিক ব্যবস্থা সম্পূর্ণরূপে ভেঙে পড়েছে। তিনি আরো অভিযোগ করেন যে আসানসোল পুরনিগমের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের একটি পুকুর ভরাট করা হচ্ছে। যদিও রাজ্য সরকারের নিয়ম অনুসারে পুকুর ভরাট করা নিষিদ্ধ। তবুও, ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে পুকুর ভরাট করা হচ্ছে এবং সেখানে একটি বাজার তৈরি করা হচ্ছে। যার বিরোধিতা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মন্ত্রী এই বিষয়টি জানেন। তবুও এই কাজ করা হচ্ছে। ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের একটি স্কুল ভেঙে ফেলার নির্দেশের কথাও বলেন বিজেপি নেতা কৃষ্ণা প্রসাদ এদিন বলেন। এই স্কুলে এখনও ৫০ জনেরও বেশি শিশু পড়াশোনা করে। তিনি বলেন, যে স্কুলে এখনও শিশুরা পড়াশোনা করে সেটা কিভাবে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে? এই সমস্ত বিষয় স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে বিধায়ক, প্রশাসন এবং তৃণমূল নেতৃত্ব জনগণের কথা ভাবেন না, তারা কেবল নিজেদের পকেট ভরতে আগ্রহী। মলয় ঘটকের কাছ থেকে আইন মন্ত্রক নিয়ে নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এটা তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ বিষয়। কিন্তু মলয় ঘটক বুঝতে পেরেছেন যে তার পায়ের নিচ থেকে মাটি সরে গেছে, তাই তিনি সম্পূর্ণরূপে হতবাক।

News Editor

Mr. Chandan | Senior News Editor Profile Mr. Chandan is a highly respected and seasoned Senior News Editor who brings over two decades (20+ years) of distinguished experience in the print media industry to the Bengal Mirror team. His extensive expertise is instrumental in upholding our commitment to quality, accuracy, and the #ThinkPositive journalistic standard.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Hey there! Ask me anything!