কয়লা চুরি করতে দিতে হবে দাবি করে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের, খনির আধিকারিকদের গাড়িতে হামলার অভিযোগ
বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী : খোলা মুখ খনিতে কয়লা চুরি করতে দিতে হবে এই দাবি করে তৃণমূলের কার্যালয় ভাঙচুরের সাথেই কয়লা খনির আধিকারিকদের গাড়িতে ভাঙচুর ও ব্যাপক হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল জামুড়িয়া থানার চুরুলিয়া পুলিশ ফাঁড়ি এলাকায়। অভিযোগ দীর্ঘদিন ধরেই এলাকায় অন্যায় ভাবে বেশ কিছু দুষ্কৃতকারী খোলা মুখ খনি থেকে উত্তোলিত কয়লা ও সেই অংশে বিভিন্ন যন্ত্র দিয়ে কয়লা খুঁড়ে নিয়ে সেই কয়লা বেশ কয়েকটি অংশে পাচার করত। ইদানিং পুলিশ প্রশাসন ওই সকল এলাকায় কয়লা চুরি করা চলবে না বলে কড়া নির্দেশ জারি করলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে ওই এলাকার এই কয়লা পাচারের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।














এই বিষয়ে তৃণমূল ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের কয়লা চুরি করতে দিতে হবে এই দাবি করেই দুই পাড়ার সদস্যরা তৃণমূল কার্যালয়ে বৈঠকে বসে। যদিও সেখান থেকে কোন সুরাহা না মেলায় উত্তেজিত হয়ে পড়ে কয়লা বাজারের সঙ্গে যুক্ত একদল সদস্য। আর এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তেজনাময় পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। ওই এলাকায় কয়লা উত্তোলনের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকদের গাড়িতে ভাঙচুর ও অন্য সকল গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি তাদের ওপর হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে।
এই ঘটনাকে ঘিরে বৃহস্পতিবার ব্যাপক উত্তেজনাময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় চুরুলিয়া এলাকায়। তবে চুরুলিয়া এলাকায় কয়লা চুরির ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনার পরিবেশ সৃষ্টি এই প্রথম নয় এর আগেও বেশ কয়েক দফায় এ ধরনের উত্তেজনাময় পরিস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। এই সমস্ত বিষয়ে উত্তেজনাময় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার লক্ষ্যে জামুড়িয়া থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী চুরুলিয়া ফাঁড়ির পুলিশের সাথে এলাকায় করা নজরদারি চালাচ্ছে যে কোন রূপ উত্তেজনাময় পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার লক্ষ্যে হাজির হয়েছে বিশেষ কমবেট ফোর্স ও পুলিশের রেপিড একশন ফোর্স ।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে কোনরূপ অন্যায় বরদাস্ত করা হবে না করা হাতে দমন করা হবে সমস্ত বিষয়। এদিনের এই ঘটনায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে তালা লাগানোর পাশাপাশি ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। যা নিয়ে অবশ্য কোন প্রতিক্রিয়া দিতে চাইনি স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব।

