কুলটি পুনরুদ্ধারে নির্বাচনী প্রচার শুরু তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ ঘটকের কল্যানেশ্বরী মন্দিরে দিলেন পুজো
বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের ২৯৪ টি আসনের মধ্যে ২৯১ টি আসনের জন্য বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছেন। তার মধ্যে অন্যতম চমক হলো পশ্চিম বর্ধমান জেলার কুলটি বিধানসভা কেন্দ্রে রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের ভাই তথা আসানসোল পুরনিগমের ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটকের নাম। এই খবর পাওয়া মাত্রই উল্লাসে মাতেন কুলটির তৃণমূল কর্মী ও সমর্থকেরা।তৃণমূল প্রাথী অভিজিৎ ঘটক প্রথমে বুধবার সকাল ১১টায় কুলটির মা কল্যানেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেন। এরপরে নিয়ামতপুর নিউ রোড তৃণমূল কার্যালয়ে দলের নেতৃত্বদের নিয়ে এক বৈঠক করেন। তারপর এদিন দুপুরে নিয়ামতপুর নিউ রোডে দেওয়াল লেখার মাধ্যমে নির্বাচনী প্রচার শুরু করলেন তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ ঘটক।














এরই মধ্যে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় অভিজিৎ ঘটক কুলটি এলাকার বিভিন্ন প্রকল্পের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দোপাধ্যায় আমাকে কুলটি পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব দিয়েছেন। এখানে এসে কর্মীদের সঙ্গে দেখা করা ও কথা বলার পর তিনি বুঝতে পারছি যে, এবার কুলটিতে দল অবশ্যই জিতবে। তিনি আরো বলেন , এখানকার বিজেপি বিধায়ক গত পাঁচ বছরে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। এই এলাকার উন্নয়নের জন্য তিনি তার বিধায়ক তহবিল থেকে একটি পয়সাও খরচ করেননি।
কুলটির উন্নয়নের জন্য তার মনে কি ধরনের প্রকল্প রয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন , এখানকার জলের সমস্যা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সমাধান করা হবে। এটি অনেকাংশে সমাধান করা হয়েছে। অন্য কিছু এলাকার জলের সমস্যাও সমাধান করা হবে। কুলটি এলাকায় কোনো অডিটোরিয়াম নেই। খেলার মাঠও নেই। এগুলো তৈরি করা হবে। এখানকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে প্রধান জোর দেওয়া হবে। এ ছাড়াও, এখানে ভালো কলেজ এবং আইটিআই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরিতেও জোর দেওয়া হবে। এছাড়া, একটি নার্সিং প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরিরও চেষ্টা করা হবে বলে অভিজিৎ ঘটক জানিয়েছেন।
কুলটি এলাকার রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনার প্রসঙ্গে অভিজিৎ ঘটক বলেন যে, বামপন্থীদের রাস্তা নিয়ে কিছু বলা উচিত নয়। কারণ তাদের আমলে রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ ছিল। সবাই দেখেছে যে এখানকার বিজেপি বিধায়কের কথা বলতে গেলে, তিনি তাঁর ৫ বছরের মেয়াদে কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করেননি। অথচ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমগ্র রাজ্য সহ এই কুলটিতে রাস্তা নির্মাণ করেছেন। তাই যারা রাস্তার বেহাল দশা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তারা সম্ভবত উন্নয়ন ঠিকমতো দেখতে পারছেন না।

