কালিপুজোর পরে দুর্গাপুর পুরসভার ভোট করানোর ভাবনা প্রশাসনিক বৈঠকের পরে বললেন মুখ্যমন্ত্রী
.. *বেঙ্গল মিরর, দুর্গাপুর, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* এই বছরের দুর্গাপূজো ও কালিপুজোর পরে দুর্গাপুর পুরসভার ভোট করানোর ভাবনা রাজ্য সরকারের রয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্গাপুরের সৃজনী প্রেক্ষাগৃহে ৫ জেলার প্রশাসনিক বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বললেন রাজ্যের মুখ্যমনন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, পুর ভোট কখন হবে, এটা বলার অধিকার আমার নেই। আমি তা বলতে পারিনা। এটা করার কথা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। তারা সেটা দেখছে।














তবে, এতটুকু বলতে পারি, দু/তিনটে মাস সময় আমাদেরকে দিন। আশা করি, দুর্গাপুজো ও কালিপুজোর পরো দুর্গাপুর পুরসভার ভোট হবে। তার আগে অবশ্যই ডিলিমিটেশন ও ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে। এদিন দুপুরে আমি হাওড়ায় প্রশাসনিক বৈঠকের পরে, সেখানে এমনই বলে এসেছি। সেখানেও ভোট হয়নি। রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল যোগাযোগ রাখছেন। আমার সঙ্গে দুর্গাপুরে দুই বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই ও চন্দ্রশেখর বন্দোপাধ্যায় আছেন। তারা আমাকে সব বলেছেন।
পুরসভায় যে আধিকারিকরা আছেন, তাদের বলেছি সাধারন মানুষের পুর পরিসেবা পেতে অসুবিধা না হয়, সেটা দেখবেন। আমরা দুর্গাপুরের মানুষদের স্বচ্ছ নির্বাচিত পুর বোর্ড উপহার দেবো। দুর্গাপুরের মানুষদের আশ্বস্ত করে বলতে পারি, আপনারা এবার আপনাদের ভোট দিতে পারবেন। যেটা আপনারা ২০১৭ সালে দিতে পারেননি। এবার সেই রকম কিছুই হবে না। সেই সময় বাঁকুড়া, বীরভূম ও পুরুলিয়া থেকে গুন্ডা এনে ভোট লুঠ করানো হয়েছিলো।
এদিনের ফলতা বিধানসভায় পুনঃনির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, বিজেপি সরকার আসার পরে, রাজ্যে এটা প্রথম ভোট। সবাই দেখলেন কত শান্তিপূর্ণ ভাবে ভোট হলো। উৎসবের মেজাজে ভোট হয়েছে। এই নির্বাচনেও ৯০ শতাংশ ভোট পড়েছে, যতদুর আমি খবর পেয়েছি। এবার থেকে গোটা বাংলায় এমনই ভোট হবে। সবাই তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।প্রসঙ্গতঃ, ২০২২ সালে দুর্গাপুর পুরসভার পাঁচ বছরের পুরো বোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। বারবার দাবি করা হলেও, বিদায়ী তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার এখানে ভোট করায়নি। পুর প্রশাসক মন্ডলী করে পুরসভা চলছিলো।

