পশ্চিম বর্ধমান জেলা / ৮ জানুয়ারি দেশ জুড়ে ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে বিরোধিতার কথা জানিয়ে দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য নেত্রী দোলা সেন ও দলের জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি.

বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, 6
জানুয়ারিঃ আগামী ৮ জানুয়ারি সারা দেশ জুড়ে সিটু সহ প্রায় সবকটি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের  ডাকা সাধারণ ধর্মঘটের বিরোধিতা করছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের  শ্রমিক সংগঠন আইএনটিটিইউসি । শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভানেত্রী তথা সাংসদ দোলা সেন  রবিবার আসানসোলের জামুরিয়া  এই নিয়ে দল ও শ্রমিক সংগঠনের মতামত স্পষ্ট করে দেন। তিনি বলেন,  আমরা রাজ্যে আর কোনো কর্মনাশা বন্ধ চাইনা। আর যেসব দাবি নিয়ে এই ধর্মঘট ডাকা হচ্ছে তা নিয়ে ইতিমধ্যেই  রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথা দলনেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় আন্দোলন শুরু করে দিয়েছেন।

riju advt

রবিবার আইএনটিটিইউসি অনুমোদিত কয়লা খাদান শ্রমিক কংগ্রেসের ( কেকেএসসি)  পিকনিক কার্যত কর্মী সভায় পরিণত হয়। এদিন জামুড়িয়ার নিংঘার গুঞ্জন পার্কে কেকেএসসির পক্ষ থেকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক পিকনিকের  আয়োজন করা হয়েছিলো ৷ যদিও সেখানে উপস্থিত শ্রমিক সংগঠনের নেতা ও কর্মীদের ভিড়ে তা কর্মী সভায় পরিণত হয় ৷ এদিন সেখানে উপস্থিত হয়েছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সভার সাংসদ তথা শ্রমিক সংগঠনের রাজ্য সভনেত্রী দোলা সেন।  এছাড়াও ছিলেন পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি , চেয়ারম্যান ভি শিবদাসন ওরফে দাসু  , কোকেএসসির নেতা হরেরাম সিং সহ আরো অনেকে ৷ সেখানেই  দোলা সেন জানিয়েছেন , আগামী ৮ জানুয়ারি দেশ জুড়ে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ডাকা সাধারণ ধর্মঘটের বিরোধীতা করছে তৃণমূল কংগ্রেস ৷ কারণ তৃণমূল কংগ্রেসের নীতি কর্মনাশা বনধ্ বা ধর্মঘট  আর নয় ৷ বনধে্ বা ধর্মঘটে কোনো সমস্যার সমাধান হয় না ৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় এনআরসি  ও নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ,  কয়লা শিল্পে ১০০% এফডিআইএর , রেলে  বেসরকারিকরণ, শিল্পে বিলগ্নিকরনের প্রতিবাদে পথে নেমে ইতিমধ্যেই  সাধারণ মানুষের আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ৷ অন্যদিকে তৃণমূলের জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি বলেন , সাধারণ ধর্মঘট ডাকা   ইস্যু বা দাবিগুলি সমর্থন যোগ্য হলেও , কর্মনাশা ধর্মঘট বা বনধকে তৃণমূল কংগ্রেস  সমর্থন করেনা ৷ তাই সেদিন জেলা থেকে রাজ্যে পরিবহন সহ কলকারখানা স্কূল , কলেজ সব খোলা থাকবে ৷ জোর করে কেউ বা কারা ধর্মঘট করতে চাইলে পুলিশ ও প্রশাসন হস্তক্ষেপ করবে ও ব্যবস্থা নেবে ৷