পান্ডবেশ্বরে স্বীকৃতি সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে শেষ হলো বাংলার গর্ব মমতার প্রথম পর্যায়

বেঙ্গল মিরর, সুমন, পান্ডবেশ্বরঃ স্বীকৃতি  সম্মেলনের মধ্যে দিয়ে রবিবার  পান্ডবেশ্বরে বাংলার গর্ব  মমতার প্রথম পর্যায়ের কর্মসূচি শেষ হয়। এদিন পান্ডবেশ্বরে দলের পুরনো কর্মী  ও  সমর্থকদের নিয়ে বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারির নেতৃত্বে অন্য নেতারা স্কীকৃতি সম্মেলনর আয়োজন করেন।

riju advt

এই সম্মেলনে প্রায় ২০০ কর্মী উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে বিধায়ক বলেন, আমরা সবাই দিদির সৈনিক। এখানকার মানুষেরা যেমন তৃনমুল কংগ্রেসকে দেখতে চান, আমরা তাই করবো। এখানের অনেক মানুষকে দলের ক্ষমতায় আসার আগে অত্যাচার সহ্য করতে  হয়েছিলো।যারা সেই সময় এই অত্যাচার করেছিলো, তাদের  মধ্যে কিছু লোক পরে আমাদের দলে ঢুকে পড়ে। এরপরেও মমতা বন্দোপাধ্যায় ডাকায় আপনারা আবার দলের জন্য কাজ করতে একজোট হয়ে চলে এসেছেন। তিনি আরো বলেন, যাদের জন্য দল ক্ষমতায় আসে, দিদি তাদেরকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন। আমরা ক্ষমতায় আসার পরে ঠিক ভাবে যদি কাজ করতাম, তাহলে, এতো সংখ্যায় মানুষ দলের মলস্রোত থেকে বেরিয়ে যেতোনা। যেটা আপনাদের থেকে আমাদের বেশি শিক্ষা। আপনারা তো দলের ক্ষমতায় আসার স্বাদ পাননি। আপনারা কাল লড়াই করেছিলেন। আজও লড়াই করছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় যখন এই কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন, তখন আপনাদের দলের সঙ্গে আবার যুক্ত হওয়ার আহ্বান করেন। একইসঙ্গে তিনি আমাদের বলেন, আমাদের অহঙ্কারের কারণেই আজ বড় সংখ্যায় কর্মী ও সমর্থক সংগঠন থেকে দূরে চলে গেছেন। তিনি আমাদের গত দু’বছর ধরে বলছেন  পুরনোদের আবার দলে ফিরিয়ে আনো ও সম্মান দাও। আগে তার কথা মতো এটা যদি আগে করতাম, তাহলে এখন এটা আমাদের করতে হতোনা। আমরা এটা করিনি বলেই, আজ তিনি এই কর্মসূচি করতে বাধ্য হয়েছেন। তিনি আরো বলেন, আপনারা চার বছর ধরে বঞ্চিত হয়ে আছেন। আপনাদের কাছে আমি এই এলাকার বিধায়ক হয়ে সব দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে ক্ষমা চাইছি। বিধায়ক বলেন, কোন কিছুর বদল বা পরিবর্তন করতে হলে, তারজন্য একটা প্রক্রিয়া আছে। রাজনীতিতে কোন কিছুই একবারে ঠিক থাকেনা। ভালো মানুষেরা ঘরে বসে যান। তখন আমরা নিজের পছন্দ মতো লোককে রেখে দিই। ভালো লোকেরা আগে এগিয়ে এলেই,, খারাপ লোকেরা রাজনীতি থেকে দূরে সরে যেতে থাকবে। এরজন্য বলছি, আপনারা আগে আসুন। যারা অযোগ্য, তাদের প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই সরিয়ে দেওয়া হবে। কিছু ভুল হলে, সেটা নিজেদের লোকেরাই করবে। বিধায়ক হিসাবে আমার কোন ভুল হলে, আপনাদের বলবো। বিধায়ক হিসাবে সব দায়িত্ব আমার। অন্য কারোর নাম বলবেন না। মমতা বন্দোপাধ্যায় নিজে জানেন কে বঞ্চিত। কার কতটা গুণ আছে। সেইজন্য তাদেরকেই ডাকা হয়েছে। আমরা নিজেদের ভুল স্বীকার করছি। এটা এখন আপনাদের হাতে। আপনারা শাস্তি দেবেন না ক্ষমা করবেন। আপনারা যে শাস্তি দেবেন, তা মাথা পেতে স্বীকার করতে রাজি আছি।