আসানসোল বাজার অঞ্চলে রাজ্য বিদ্যুৎ বিভাগের মাসে ৩৩ লক্ষ টাকার ক্ষতি

বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, সৌরদীপ্ত সেনগুপ্ত : বিদ্যুতের তার, জেনারেটরের তার মাকড়সার জালের মতো ছড়িয়ে রয়েছে আসানসোল বাজারে। আসানসোল বাজারে প্রায়শই শর্ট সার্কিটের কারণে আগুন ধরে। ফুটপাথের দোকানগুলির পলিথিনের ছাদগুলিও এর কারণে জ্বলছে। আশানসোল বাজারে যে কোনও সময় বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন দোকানদারেরা। এছাড়াও, “বেআইনি” সংযোগের ফলে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা প্রতি মাসে বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন হবার কথা বলছে।

photo internet media

আসানসোল বাজারে হটন রোড থেকে রাহালেন পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার দূরত্ব ফুটপাথে দোকান রয়েছে। ক্রেতাদের একটি বড় অংশ অভিযোগ করেন যে প্রায় প্রতিটি দোকানই জ্বলনযোগ্য উপকরণ রয়েছে। বেশিরভাগ দোকানে বৈদ্যুতিক খুঁটি, মিটার বক্স বা ট্রান্সফর্মার থেকে “অবৈধ” সংযোগ রয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার এক আধিকারিক বলেন, “অবৈজ্ঞানিক সংযোগের কারণে বিদ্যুৎবাহক লোড ( চাপ) বহন করতে পারছেন না। সোমবার মুন্সী বাজারে মিটার বক্সে অবৈধ সংযোগের কারণে আগুন লেগে যায়। এক মাস আগে বাজারের হটন রোডের কাছে বিদ্যুৎ লাইন ও ট্রান্সফর্মারে আগুন লেগেছিল। এমন পরিস্থিতিতে দোকান মালিকরা আশঙ্কা করছেন, “যে কোনও সময় সমস্ত কিছু পুড়ে ছাই হয়ে যেতে পারে।” একজন দোকানদার বলেন, যে আমি রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফিরলে পরের দিন দোকান ঠিকঠাকভাবে খুলতে সক্ষম হব কিনা তা আমার জানা নেই! “

এই পরিস্থিতিতে রাজ্য বিদ্যুত বিতরণ সংস্থার ডিভিশনাল ইঞ্জিনিয়ার শুভেন্দু চক্রবর্তী বলেন, “অবৈধ” কানেকশনের ফলে একা তাঁর আসানসোল বাজার অঞ্চলে তাঁর কোম্পানির প্রতি মাসে ৩৩ লক্ষ টাকা লোকসান হয়। পুরাতন বৈদ্যুতিক তার সরাতে, মাটির নিচে থেকে বৈদ্যুতিক তার সরাতে এবং বিদ্যুৎ চুরি বন্ধ করার জন্য বিশেষ মিটার স্থাপনের জন্য বাজার এলাকায় চেষ্টা চলছে। শুভেন্দুবাবু বলেন, “এই কাজের জন্য দরপত্র চাওয়া হয়েছে। বৃষ্টির পরে কাজ শুরু হবে। “

ECLकी खदानों से कोयले की लूट का खेल, एक महीने में दूसरी बार गायब हुए कोयले लदे डंपर

কৃতি ছাত্র কে সম্বর্ধনা দিয়ে উৎসাহিত করলেন বারাবনির বিধায়ক

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *