স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ গ্রহণ করল স্টুডেন্ট হেলথ হোম
বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী, রানীগঞ্জ : বিশ্বজুড়ে এবং ভারতে স্তন ক্যান্সারের পরিসংখ্যান ক্রমবর্ধমান বৃদ্ধি পাওয়ার বিষয়কে লক্ষ্য করে এবার স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন করার উদ্যোগ গ্রহণ করল খনি অঞ্চলের বিজ্ঞান মনস্ক সংস্থা স্টুডেন্ট হেলথ হোম। দেখা গেছে প্রতি বছর হাজার হাজার নতুন স্তন ক্যান্সারের কেস ধরা পড়ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) সতর্ক করেছে যে ২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বব্যাপী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্তের সংখ্যা প্রতি বছর ৩৫ লক্ষ ছাড়িয়ে যেতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, প্রতি ৮ জন মহিলার মধ্যে ১ জন তার জীবনে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।














এটি মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে সাধারণ ক্যান্সার, তবে পুরুষরাও এই ক্যান্সার হতে পারে, যদিও এর হার কম লক্ষ্য করা গেছে। স্তন ক্যান্সার হল স্তনের টিস্যুতে কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি, যা প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করা গেলে এর চিকিৎসার সম্ভাবনা অনেক বেশি। এর সাধারণ লক্ষণগুলো হলো স্তনে পিণ্ড থাকা, স্তনের আকৃতির পরিবর্তন, স্তনবৃন্ত থেকে তরল নিঃসরণ এবং স্তনের ত্বকে লালচে ভাব বা প্রদাহ। ঝুঁকি কমানোর জন্য নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, জীবনযাত্রার পরিবর্তন (যেমন ধূমপান ও মদ্যপান বর্জন), আর ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী স্ক্রীনিং করানো জরুরি।
রবিবার ছুটির দিনেই এই সকল বিষয়গুলি খনি অঞ্চলের ছাত্রীদের মধ্যে জানান দেওয়ার লক্ষ্যে এক বিশেষ শিবিরের আয়োজন করা হয়। যেখানে এদিন স্কুল কলেজের ছাত্রীদের স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতন করার লক্ষ্যে রানীগঞ্জের বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ ও যুবসমাজকে গড়ে তোলার দায়িত্বে থাকা সংস্থা স্টুডেন্ট হেলথ হোম এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করে। দিনের এই কর্মসূচিতে কলকাতার দুইজন বিশিষ্ট চিকিৎসকদের নিয়ে রানীগঞ্জের স্টুডেন্ট হেলথ হোম সভাকক্ষে বেশ কয়েকটি বালিকা বিদ্যালয় ও গার্লস কলেজের ছাত্রীদের একত্রিত করে, কিভাবে স্তন ক্যান্সার নির্ণয় করা যায় ও সেই সম্পর্কে কিভাবে সচেতন থাকা উচিত, কি কি লক্ষণ গুলি লক্ষ্য করা গেলে তা স্তন ক্যান্সারের কারণ হতে পারে, সে সম্পর্কে সচেতন করতে বেশ কয়েকটি তথ্য তুলে ধরা হয় ছাত্রীদের কাছে।
জানা গেছে এদিনের এই কর্মসূচিতে রানীগঞ্জের বিভিন্ন স্কুল কলেজের প্রায় 40 জন ছাত্রীর সাথে তাদের অভিভাবিকা রাও উপস্থিত হয়ে এই বিশেষ সেমিনারে জেনে নেন নানান বিষয়। স্টুডেন্ট হেলথ হোম এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগামীতে বালিকা বিদ্যালয় গুলিতে এই বেস্ট ক্যান্সারের বিষয়গুলিকে ছাত্রীদের কাছে জানান দেয়ার লক্ষ্যে বেশ কয়েকজন ছাত্রীকে এ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, তারা পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন বালিকা বিদ্যালয় পৌঁছে, সেখানে কিভাবে সকলে সচেতন থাকবেন সে সম্পর্কে তথ্য তুলে ধরবে যা জেনে অনেকটাই উপকারিতা হবে ছাত্রীরা।


