বোগড়াচটি এলাকায় ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই 11 টি দোকান ও দুটি ঠেলাগাড়ি
বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী, জামুড়িয়া : আসানসোল কর্পোরেশনের জামুরিয়া এক নম্বর বরো এলাকার বত্রিশ নম্বর ওয়ার্ডের বোগড়াচটি মোড় এলাকায় রাতের অন্ধকারে ভয়াবহ আগুনে পুড়ে ছাই হয় 11 টি দোকান ও দুটি ঠেলাগাড়ি। রাত্রি প্রায় সাড়ে এগারোটা বারোটা নাগাদ ভয়াবহ এই আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে। তবে কিভাবে এই আগুন লেগেছে সেই ছোটখাটো সবজি বাজারে তা নিয়েই ধন্দ্বে সকলে । জাতীয় সড়কের ধারেই অবস্থিত এই ছোট হাটবাজারে দীর্ঘদিন ধরেই সবজি ও মাছ মাংস সহ বিভিন্ন পসরা নিয়ে ছোটখাটো গুমটি করে এখানে ব্যবসা করতো অসংখ্য ব্যবসায়ী।















শনিবার রাতেই ওই অংশেই হঠাৎ করেই এই ভয়াবহ আগুনলাগার ঘটনা তাদের কাছে পৌঁছতেই তারা হতবাক হয়ে পড়ে কিভাবে তারা সংসার চালাবে কিভাবে বা আবার তারা তাদের দোকান তাই নিয়ে চিন্তায় রয়েছে সকলে। এ সময় আজ সকাল প্রায় সাড়ে নটা নাগাদ বিজেপি নেতা কৃষ্ণাপ্রসাদ এসে উপস্থিত হয়েছেন ঘটনাস্থলে, তিনি এদিন তার বক্তব্যে দাবী করেছেন এই আগুন লাগার ঘটনা একটা পরিকল্পিত ঘটনা এখানে ইচ্ছাকৃতভাবে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে যাতে এখানে ব্যবসায়ীরা ভালোভাবে ব্যবসা করতে না পারেন তাদের পেটে মেরে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে যা তারা কখনোই মেনে নিতে পারেন না। তার দাবি এতসব ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরও ওই অংশে এলাকার বিধায়ক এমনকি এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর এসে পৌঁছয়নি অসহায় ঐ সকল দোকান মালিকদের কাছে। তারা শুধু লুটে খাবার রাজনীতি করে বলেই দাবি।
তিনি এও জানান যে এই অংশে কর্পোরেশন এলাকা হওয়ায় একটা ছোট হাট-বাজার গড়ে দেওয়া যেতোই কিন্তু তার কোন উদ্যোগ কর্পোরেশন নেয়নি যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তিনি এদিন তার বক্তব্যে দাবি করেন এই সকল ব্যবসায়ীদের পাশে তিনি রয়েছেন আজ বেলা এগারোটা পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না হলে তিনি বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে কথা বলে এই সকল মানুষ জনদের পাশে থাকার জন্য ব্যবস্থা নেবেন। সেদিনের এই পরিদর্শনের সময়ই কৃষ্ণপ্রসাদের বিরুদ্ধে আসানসোল উত্তর থানায় কম্বল বিতরণের সময় তাদের কর্মী বেশ কিছু জনজাতির সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন এই অভিযোগ তুলে, কৃষ্ণ প্রসাদ কে গ্রেপ্তারের দাবিতে থানায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন কেন এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি তার বক্তব্যে দাবি করেন সম্পূর্ণটাই তৃণমূলের পরিকল্পিত চক্রান্ত, এ বিষয়ে মলয় ঘটক চক্রান্ত করে তাকে ফাঁসাতে চাইছে। তার দাবি তিনি সর্বদাই আদিবাসীদের সঙ্গে ছিলেন আছেন থাকবেন, আর কম্বল বিতরণের সময় সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ তাদের কাছে রয়েছে তা দেখলেই সমস্ত বিষয়ে স্পষ্ট হয়ে যাবে। আর তার বিরুদ্ধে তৃণমূল কোনরূপ কোন চক্রান্ত করলে সাধারণ মানুষ তার জবাব দেবে বলেই দাবি তার।
আর এই কৃষ্ণা প্রসাদ যাওয়ার পরই ওই অংশে হাজির হন এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলার ভোলা হেলা, সঙ্গে উপস্থিত হন তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের শীর্ষ নেতৃত্ব তারকেশ্বর সিং। দিন তাদের বক্তব্যের দাবি করেন যে এলাকায় এই দোকানপাট হয়েছে সেটি ব্যক্তিগত মালিকানাধিন জমি, আর সংলগ্ন এলাকায় একটি মার্কেট করা হয়েছে সেখানে রয়েছে বেশ কিছু দোকানদার। তবে এখানের ব্যবসায়ীদের সঙ্গেও তারা রয়েছেন তাদের যথাযথ সাহায্য করার জন্য তারা উদোগ নেবেন, তবে এলাকার ওয়ার্ড কাউন্সিলর যে আসেননি বলে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা সঠিক নয় বলে দাবি করছেন তারা তাদের দাবি এলাকার বিধায়ককে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে তিনি শীঘ্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হবেন, উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এলাকার দোকানদারদের জন্য।


