আসানসোলে স্ট্রংরুমের বাইরে উত্তেজনা ” অন ইলেকশন ডিউটি ” গাড়িতে মিললো খাম বন্দী মোবাইল, বিজেপির বিক্ষোভ, কটাক্ষ তৃণমূলের
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে স্ট্রং রুমের বাইরে ” অন ইলেকশন ডিউটি ” লেখা একটি গাড়ির ভেতর থেকে একটি সিল করা খামের মধ্যে থেকে একটি মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। যা নিয়ে ভোট গণনার একদিন আগে রবিবার গোটা এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গাড়ির সামনের কাঁচ বা উইন্ড স্কিনের উপরে সাদা কাগজে ২৭৮ রানিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র অন্ডাল ব্লক লেখা ছিল। সেই সময় সেখানে থাকা বিজেপি নেতা অভিজিৎ রায়ের নেতৃত্বে কর্মী ও সমর্থকেরা সেই গাড়িটি আটকান। তারা গাড়িতে থাকা ইলেকশনের ডিউটি করা আধিকারিকদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান। এক আধিকারিক মোবাইল ফোন নিয়ে কোন সদুত্তর দিতে না পারায় বিজেপির নেতা ও কর্মীরা স্ট্রংরুমের গেটের সামনে রাস্তায় ধর্ণা অবস্থানে বসে পড়েন। পরিস্থিতি সামলাতে আসে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। যদিও, নির্বাচনের কাজে থাকা গাড়িতে মোবাইল ফোন উদ্ধার করার বিষয়টি নিয়ে কটাক্ষ করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।














জানা গেছে, এদিন ” অন ইলেকশন ডিউটি ” সাদা রংয়ের একটি গাড়ি স্ট্রং রুম চত্বরে ঢুকছিলো। সেই সময় সেখানে উপস্থিত বিজেপি নেতা ও কর্মীরা গাড়িটি থামিয়ে তল্লাশি চালান। গাড়িটির ভেতরে একটি সিল করা খাম পাওয়া যায়। খামের সিল খোলার পর রানিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের কিছু কাগজপত্র এবং একটি বন্ধ মোবাইল ফোন পাওয়া যায়। এরপরই বিজেপির নেতা ও কর্মীরা বিক্ষোভ দেখানো শুরু করেন। তারা গাড়িতে আসা নির্বাচনের কাজ করা এক আধিকারিককে জিজ্ঞাসা করেন যে তাঁর গাড়ির ভেতর একটি সিল করা খামের মধ্যে বন্ধ মোবাইল ফোনটি কিভাবে পাওয়া গেলো? তখন তিনি বলেন, খামের ভেতরে মোবাইল ফোনটি ছিল সে বিষয়ে তিনি অবগত ছিলেন না। তিনি নিজেকে পরিকাঠামো ইন-চার্জ হিসেবে পরিচয় দিলেও তাঁর গাড়িতে রাখা সিল করা খামের ভেতর থেকে বন্ধ মোবাইল ফোনটি কিভাবে এলো তা ব্যাখ্যা করতে পারেননি।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে যুব সংগঠনের জেলা সভাপতি অভিনব মুখোপাধ্যায় বলেন, আমরা তো আগে থেকেই বলে আসছি, নির্বাচন কমিশন যা কিছু, তাই করতে পারে। এই ঘটনা তা প্রমাণ করলো।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছুক্ষণ উত্তেজনা ছিলো স্ট্রংরুম চত্বরে। সব রাজনৈতিক দলই জানিয়েছে যে তারা এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করবে।

