আসানসোলে বিপিএলের আবাসন বিলিতে বেনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগ, পুর কর্মী সহ ধৃত তিন
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোলের ডামরা এলাকায় বিপিএল বা গরীব মানুষদের জন্য তৈরি আসানসোল পুরনিগমের আবাসনের বরাদ্দ ও বিলি নিয়ে বেনিয়ম ও দূর্নীতির অভিযোগে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ এক পুর কর্ম সহ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। এই মামলায় শুক্রবার প্রথমে শেখ খালিদ ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছিলো। পরে পুর কর্মী প্রমোদ গ্রেফতার করা হয়েছে।শনিবার ধৃত তিনজনকে আসানসোল জেলা আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে চায়। সেই আবেদনের ভিত্তিতে আদালতের বিচারক তাদের জামিন নাকচ করে তিনদিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।আসানসোল দক্ষিণ থানায় গোটা বিষয় নিয়ে একটি অভিযোগটি দায়ের করেন সুন্দরচকের বাসিন্দা রানি টুডু।













তিনি অভিযোগ করেন যে শেখ খালিদ ও তার স্ত্রী তাকে একটি বিপিএল আবাসন দেওয়ার নামে তার কাছ থেকে ৩০,০০০ টাকা নিয়েছিলেন। পরে তাকে যে বরাদ্দের নথি দেওয়া হয়েছিল, তা জাল বলে অভিযোগ উঠে। রানি টুডু যখন নির্দিষ্ট আবাসনটিতে পৌঁছান, তখন তিনি দেখতে পান যে সেটি ইতিমধ্যেই অন্য একজনকে বরাদ্দ করা হয়েছে।অভিযোগের পর আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় শেখ খালিদ এই মামলায় অন্য ব্যক্তিদের জড়িত থাকার কথা প্রকাশ করে বলে জানা যায়।
এর ভিত্তিতে পুলিশ পুর কর্মী প্রমোদ কুমারকে শুক্রবার রাতে গ্রেফতার করে। এই ঘটনায় পুলিশ ডামরার বাসিন্দা জনৈক কৃষ্ণ নামে একজনকে খুঁজছে। যাকে এই জালিয়াতির মূল পরিকল্পনাকারী বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, আসানসোলের কল্যাণপুর হাউজিং এবং তপসী বাবা এলাকায় আবাসন বরাদ্দেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সেইদিক থেকে পুলিশের তদন্তের পরিধি আরও বাড়তে পারে। আর তাতে আর কিছু পুর কর্মী তদন্তের আওতায় আসতে পারেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ।পুলিশ জানায়, গোটা বিষয়টি নিয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত করা হচ্ছে। ধৃতদেরকে জেরা করে আর কারা এই ঘটনায় জড়িত রয়েছে তা বার করার চেষ্টা করছে।



