দোলের আগের দিন সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী “উড়ান” – র উদ্যোগে আসানসোলে চাঁচড় পোড়ানো ও সাংস্কৃতিক উৎসবের আয়োজন:

বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, সৌরদীপ্ত সেনগুপ্ত , ৯ ই মার্চ,২০২০:   রবিবার দোলের ঠিক আগের দিন সন্ধ্যায় বসন্ত উৎসব পালনে রঙিন হয়ে উঠলো আসানসোল রবীন্দ্র ভবন এবং জেলা গ্রন্থাগার সংলগ্ন  এলাকা। 
আসানসোলের জনপ্রিয় সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী ” উড়ান ” এর উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান সংগঠিত হয়।

riju advt

 এদিন সন্ধ্যায় সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষজন রবীন্দ্রভবনের সামনে রকমারি সাজে হাজির হন। সেখানে তারা মেতে উঠেন নাচে গানে। পরে সেখান থেকে তারা যান সামান্য দূরে জেলা গ্রন্থাগার লাগোয়া সংহতি মঞ্চের সামনে। সেখানে দোল উপলক্ষে চাঁচড় পোড়ানো বা ন্যাড়া পোড়া হয়। ছিলো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও। করা হয়েছিলো স্টলও।

 এ বিষয়ে “উড়ান” গোষ্ঠীর প্রধান সুমিত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,” এই চাঁচড় বা চলতি ভাষায় “নেরাপোড়া”- র সঙ্গে মাটির এবং সংস্কৃতির যোগাযোগ নিবিড়। কিন্তু বর্তমান যুগে এই প্রথা উঠে যাচ্ছে বিভিন্ন কারণে। তাই এই অগ্নিউৎসবের  মাধ্যমে বসন্ত উৎসবের সূচনা করা হলো।

বিগত দশ বছর ধরে এই উৎসব পালন করা হচ্ছে সংস্থার তরফ থেকে। এ বছর  কচিকাঁচাদের নিয়ে পদযাত্রা সংগঠিত করা হলো। তাকে করোনা ভাইরাসে রঙের প্রভাব থাকার জন্যে কতটা স্বাস্থ্যসম্মত সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ”  যদিও তিনি এই বিষয়ে তিনি বিশেষ জানেন না কিন্তু  অনুষ্ঠানে যে সমস্ত আবির ব্যবহার করা হচ্ছে তার সবটুকুই ঘরে বানানো এবং বাইরে থেকে যদি কোনো আবির ব্যবহার করা হয় সেই আবির ভেষজ আবির।”