BARABANI-SALANPUR-CHITTARANJAN

টাকা ফিরিয়ে দিল বারাবনি থানার পুলিশ

বেঙ্গল মিরর,  কাজল মিত্র :- একদিকে যখন সাইবার অপরাধীরা বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে প্রতারণা করছে সাধারণ মানুষদের কখনো মেসেজ ছড়িয়ে লিংক এর মাধ্যমে কখনো আবার ফোন পেয়ে বা গুগল পেয়ে থেকে টাকা উধাও করে নিচ্ছে প্রতারকেরা । তারই মাঝে
আবার  হ্যাকার দের হাতে শিকার বারাবনি এলাকার এক ব্যবসায়ী ।তার চলে গেলো প্রায় এক লক্ষ টাকা ।
সেই টাকা চলে যাবার খবর বারাবনি থানার সাইবার পুলিশ পাওয়ার মাত্রই কয়েক দিনের মধ্যেই ভিন রাজ্য থেকে উদ্ধার করে এনে শুক্রবার তার হাতে তুলে দিল।


পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে
পশ্চিম বর্ধমান জেলার বারাবনী থানার দোমোহনী বাজার এর মনোজ কুমার দাস নামের এক বাসিন্দার   অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব হয়ে গিয়েছে প্রায় এক লক্ষ  টাকা।
অথচ তিনি কোনও লেনদেন বা কোনও ওটিপি শেয়ার করেননি।
ঘটনার সম্পর্কে জানা যায় যে  মনোজ বাবু সম্প্রতি ব্যাঙ্কের পাসবই আপডেট করাতে গিয়ে চক্ষু চড়কগাছ হয় তাঁর। তিনি জানতে পারেন অ্যাকাউন্টে থাকা এক লক্ষ টাকা খোয়া গিয়েছে। কী ভাবে গচ্ছিত টাকা খোয়া গেল, কিছুই বুঝে উঠতে পারেননি তিনি।কোনও লেনদেন করেননি,কোনও ওটিপি-ও শেয়ার করেননি।তবে মোবাইল হারিয়ে যাবার একটি লিখিত অভিযোগ করেছিলেন ।


এরপরই তিনি বারাবনি থানার সাইবার ক্রাইমে পুরো বিষয়টি জানিয়ে পুনরায় অভিযোগ দায়ের করেন। এরপরেই  বারাবনী থানার অফিসার ইনচার্জ মনোরঞ্জন মন্ডল  কে
জানায় এবং মনোরঞ্জন মন্ডলের নেতৃত্বে সাইবার পুলিশ এস আই সুদীপ মুখার্জি ও তার টিম ঘটনার তদন্তে নেমে দুটি আলাদা আলাদা অ্যাকাউন্ট থেকে ওই টাকা উদ্ধার করে।
জানাজায়  মনোজ কুমার দাস 14.05.24 তারিখে 04:30 এর  সময় তিনি তার মোবাইল ফোন হারিয়েছেন এবং তার পরেই  সম্ভবত তার ফোন হ্যাক করা হয়েছে।


কারন ফোন পে এর মাধ্যমে দুইবার দুটি আলাদা আলাদা  ব্যাংকে ওই টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছে বলে জানাজায় ।
তবে পুলিশ এর তৎপরতাই
02 টি আলাদা আলাদা ব্যাংকে 50000 টাকা  মহারাষ্ট্রের সেন্ট্রাল ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া থেকে আর 49998.92 টাকা অন্ধ্রপ্রদেশ এর ইন্ডিয়ান অভারসিজ ব্যাংক থেকে সেই টাকা উদ্ধার করা হয়। বারাবনি থানার পুলিশ  উদ্ধার করা টাকা ওই ব্যাক্তির হাতে তুলে দেন ।
মনোজ কুমার দাস পুলিশের এই কাজকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ।

Social Share or Summarize with AI

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *