আসানসোল প্রগতি’ র বার্ষিক সাধারণ সভায় ১৪ জন রোগী ও পড়ুয়াকে আর্থিক সহায়তা
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ* আসানসোল শিল্পাঞ্চলের অন্যতম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ” আসানসোল প্রগতি” র বার্ষিক সাধারণ সভা ২০২৬-২৭ অনুষ্ঠিত হলো শুক্রবার সন্ধ্যায় আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের অডিটোরিয়ামে। প্রদীপ জ্বালিয়ে এই সাধারণ সভার উদ্বোধন করা হয়। ছিলেন আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনের সেক্রেটারি মহারাজ স্বামী সৌমত্মানন্দজী মহারাজ, স্বামী ভারুপানন্দজী মহারাজ, স্বামী নন্দীশানন্দজী মহারাজ, রানিগঞ্জ বিধানসভার বিদায়ী বিধায়ক তাপস বন্দোপাধ্যায় ও আসানসোল পুরনিগমের চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়। পরে অতিথিরা শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব ও স্বামী বিবেকানন্দের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করেন।














আসানসোলের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডাঃ দিলীপ দত্ত অতিথিদের হাতে পুষ্পস্তবক তুলে দেন সংগঠনের তরফে। এদিনের বার্ষিক সাধারণ সভায় সংগঠনের প্রথম ম্যাগাজিন ” উন্মিলন ” প্রকাশিত হয়। ২০২৫ – ২৬ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন পেশ করেন ” আসানসোল প্রগতি”র প্রতিষ্ঠাতা সুবব্রত ভট্টাচার্য ( পিন্টু)। একইসঙ্গে এদিনের সভায় সংগঠনের ২০২৫-২৬ সালের আয়ব্যয়ের হিসাব পেশ করা হয়। এদিন সংগঠনের তরফে ৯ জন রোগীকে তাদের চিকিৎসার জন্য ২৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

এছাড়াও পড়াশোনার জন্য সংগঠনের তরফে দুই পড়ুয়াকে ৮ হাজার টাকা, দুই পড়ুয়াকে ১৬ হাজার টাকা ও একজনকে ১৭, ১২৫ টাকা আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আসানসোল রামকৃষ্ণ মিশনকে এই বছর ২৫ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা করা হয়েছে তাদের সামাজিক কাজের জন্য। এদিন অতিথিরা তাদের বক্তব্যে আসানসোল প্রগতির কাজ নিয়ে আলোকপাত করেন। তারা বলেন, এই সংগঠন সারা বছর যেভাবে সমাজের সব স্তরের জন্য কাজ করে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।
আসানসোল প্রগতি” র প্রতিষ্ঠাতা সুবব্রত ভট্টাচার্য ( পিন্টু) বলেন, আমাদের সংগঠন সারা বছর ধরে বিভিন্ন ধরনের সামাজিক করে থাকে। বছরের রক্তদান শিবির আয়োজন করার পাশাপাশি, রোগী, স্কুল পড়ুয়া থেকে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষদের পাশে দাঁড়ানো হয়। এদিনের সভায় আগামী এক বছরে কি কি কাজ করা হবে, তা নিয়ে সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। একটা রুপরেখা তৈরি করা হয়েছে, যাকে সামনে রেখে আগামী একবছর সংগঠন এগিয়ে চলবে।

