এবার রানিগঞ্জের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী কালোবরণ মন্ডল, সোশাল মিডিয়ায় ইঙ্গিত পূর্ণ পোস্ট
বেঙ্গল মিরর, রানিগঞ্জ ও আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ ” দলের রাশ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের হাতে নিলে দলীয় কর্মীদের খুব বিক্ষোভ নিজের কানে শোনার ও প্রতিকার করার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকলে সাথে আছি নইলে নেই “। সামাজিক মাধ্যম বা সোশাল মিডিয়ায় এমনটাই পোস্ট করেছেন অন্য কেউ নয়, এবারের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিম বর্ধমান জেলার রানিগঞ্জ কেন্দ্রের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী কালো বরণ মন্ডল। কালো বরন মন্ডল কিন্তু জিতেন্দ্র তেওয়ারির সঙ্গে ঘুরে বেড়ানো জেলা পরিষদের বিদ্যুৎ কর্মাধ্যক্ষ সুজিত মুখোপাধ্যায়ের মতন হালকা মাপের নেতা নন। কালো বরন মন্ডল পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর মহকুমার অন্ডাল ব্লকের দাপুটে ব্লক সভাপতি। রানিগঞ্জ তৃণমূল প্রার্থী প্রাক্তন মন্ত্রী মলয় ঘটকের অনুগামী বলে পরিচিত।














বৃহস্পতিবারের সামাজিক মাধ্যমে কালোবরণ মন্ডলের এই পোস্ট পশ্চিম বর্ধমান জেলা জুড়ে শোরগোল ফেলেছে। তৃণমূল নেতাদের অনেকেই মনে করছেন কালো বরণ মন্ডলের এই পোস্ট সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকে ইঙ্গিত করেই করা হয়েছে। তৃণমূলের অন্দরে জোটচর্চা রয়েছে অভিষেকের ইচ্ছায় নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী ক্ষমতায় রয়েছেন জেলা সভাপতি হিসাবে। কয়েকদিন ধরে দেখা যাচ্ছে জেলা সভাপতি ঘনিষ্ঠ নেতারা কিন্তু তার সঙ্গ ছেড়ে দিচ্ছেন। তারা সবাই নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তীকেই জেলায় হারের জন্য কাঠগড়ায় তুলছেন। কালো বরণ মন্ডলের সাথে পঞ্চায়েত ভোটের পরেই জেলা পরিষদ সভাপতি ও সহসভাপতি পদ নিয়ে ব্যাপক মনোমালিন্য হয় জেলা সভাপতির সঙ্গে।
কালো বরণ মন্ডলকে কোন পদ দেওয়া হয়নি। কালো বরুন মন্ডলের সাথে তারপরে আর তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতির আর সুসম্পর্ক হয়নি। দলের মধ্যেই জেলা সভাপতিকে নিয়ে যে চরম খুব জমা হয়েছিল তার বহিঃপ্রকাশ শুরু হয়েছে সামাজিক মাধ্যমে।নির্বাচনে ভরাডুবির পরে এইসব পোস্ট ও মন্তব্য প্রমাণ করছে তৃণমূল কংগ্রেসের আদি নেতা ও কর্মীরা আর চাইছেন না অভিষেক বন্দোপাধ ও নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী দলের ক্ষমতায় থাকুন।

