Bengal Mirror

Think Positive

Bengal Mirror
Bengal Mirror
ASANSOL

আসানসোল পুরনিগমের বোর্ড বৈঠক উত্তপ্ত পানীয়জলের সংকট ও সাফাই নিয়ে কাউন্সিলারদের ক্ষোভ ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আর্জি

*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আসানসোল পুরনিগমে চলতি এপ্রিল মাসের পুর কাউন্সিলারদের বোর্ড বৈঠক ছিলো বুধবার। পানীয়জলের সংকট ও স্যানিটেশন বা সাফাই নিয়ে এদিনে বোর্ড বৈঠক বেশ উত্তাল ও উত্তপ্ত ছিল। এইসব বিষয় নিয়ে কাউন্সিলরদের মধ্যে বিতর্ক ও তর্কাতর্কি হয়। গত ২৩ এপ্রিল প্রথম দফা নির্বাচনের সময় আসানসোল পুরনিগমের কুলটি, জামুড়িয়া সহ একাধিক ওয়ার্ডে পানীয়জলেট সংকট বৈঠকে গুরুত্ব ও প্রাধান্য পায়। বিরোধী দলের পাশাপাশি তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলাররাও এই নিয়ে সরব হন। তারা পানীয়জল ও স্যানিটেশনের দায়িত্বে থাকা পুর ইঞ্জিনিয়ারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন।

যে ইঞ্জিনিয়ার এই দুটির দায়িত্বে আছেন, তাদের সরানোরও দাবি করা হয়। কাউন্সিলররা পুর আধিকারিকদের কাছে এই ব্যাপারে জবাবদিহি দাবি জানান। এদিনের বৈঠকে মেয়র বিধান উপাধ্যায় অবশ্য ছিলেন না। দুই ডেপুটি মেয়র অভিজিৎ ঘটক ও ওয়াসিমুল হক সহ মেয়র পারিষদরা ছিলেন। সভা পরিচালনার দায়িত্বে পুর চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় কোন মতে পরিস্থিতি সামাল দেন।জানা গেছে, এদিন বোর্ড বৈঠক চলাকালীন কাউন্সিলররা আসানসোল শহর সহ অনেক এলাকায় পানীয় জলের অভাব নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

তারা অভিযোগ করেন, এই সংকটের কথা জানানোর পরেও সময়মতো যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। স্যানিটেশন নিয়েও উত্তপ্ত হয় এদিনের বৈঠক। বেশ কয়েকজন কাউন্সিলর শহরের নোংরা পরিবেশ ও নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাবের বিষয়টি উত্থাপন করেন। তারা পুর প্রশাসনের কার্যপদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠে যখন কয়েকজন কাউন্সিলর এক ইঞ্জিনিয়ারের প্রতি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। অভিযোগ যে, তারা ইঞ্জিনিয়ারের কাজে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং তীব্র প্রতিবাদ জানান।

এই বৈঠক চলাকালীন সবমিলিয়ে পরিবেশ বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছু সময়ের জন্যে বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়।তবে, বৈঠকে পুর চেয়ারম্যান ও আধিকারিকদের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।বৈঠকে পুর চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায় ও মেয়র পারিষদ গুরুদাস ওরফে রকেট চট্টোপাধ্যায় পুর প্রশাসনের আশ্বাস দিয়েছেন যে, জল সংকট ও স্যানিটেশন সমস্যা নিরসনে শীঘ্রই সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পরে তারা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, দুটি বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই পুর কতৃপক্ষ দ্রুত এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। মে মাসের ৮/১০ তারিখের মধ্যে আরো একটি বোর্ড বৈঠক ডেকে সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে আলোচনা করা হবে। তারা বলেন, অনেক সময় কিছু টেকনিক্যাল কারণে জল সরবরাহে সমস্যা হয়। কি ভোটের সময় কেন তা হলো, এটা চিন্তার বিষয়। সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Social Share or Summarize with AI

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *