লাগানো হলো রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর ছবি আসানসোল পুরনিগমে মেয়রের চেম্বার থেকে সরলো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ফটো
*বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায় ও সৌরদীপ্ত সেনগুপ্তঃ* আসানসোল পুরনিগমের মেয়রের চেম্বারে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরানোকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার সকালে উত্তাল হলো পুরনিগম চত্বর। এদিন সকালে বিজেপি আসানসোল সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক কাকলি ভট্টাচার্য ও যুব মোর্চার সভাপতি অভিক মন্ডলের নেতৃত্বে যুব মোর্চার প্রতিনিধিরা মেয়র বিধান উপাধ্যায়ের চেম্বারে ঢুকে পড়েন। মেয়রের বসার চেয়ারের পেছনের দেওয়ালে টাঙানো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি সরিয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রোপদী মুর্মূ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ছবি লাগিয়ে দেওয়া হয়। তবে, জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ছবি অবশ্য সরানো হয়নি।














মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছবি খোলার কাচের ফ্রেমে বাঁধানো সেই ছবি ভেঙ্গে যায়। অল্পের জন্য আঘাত থেকে রক্ষা পান মেয়র বিধান উপাধ্যায়। এরপর বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদকদের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল আসানসোল পুরনিগমের পুর পরিসেবা দেওয়ার ব্যর্থতা তুলে ধরেন। মোর্চার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পুরসভা মানুষের পরিষেবা দিতে ব্যর্থ তাই মেয়র সহ বাকিদের আর পুরনিগমে আসার প্রয়োজন নেই।এরপর বিজেপির কর্মী ও সমর্থকের পুর চেয়ারম্যান অমরনাথ চট্টোপাধ্যায়ের চেম্বারেও যান।
পুর চেয়ারম্যানের সঙ্গে তাদের বাকবিতন্ডা হয়। খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানকে নিয়ে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ আসানসোল পুরনিগমে আসে। বিজেপি নেতা ও কর্মীদের পুরনিগম থেকে সরিয়ে নিয়ে যায় পুলিশ। থানায় নিয়ে যাওয়া বিজেপির সাধারণ সম্পাদককে।এই প্রসঙ্গে মেয়র বলেন, সরকার আমাকে পুরনিগমে না আসা নিয়ে কিছু বলেনি। তাই আমি আসছি ও কাজ করছি। এদিন যা হলো সবাই তো দেখলেন। কি আর বলবো

