১৯ নং জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা আটকাতে তৎপরতা কুলটিতে যৌথ পরিদর্শনে পুলিশ ও হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ
*বেঙ্গল মিরর, কুলটি, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* ১৯ নং জাতীয় সড়কে (এনএইচ-১৯) ক্রমবর্ধমান পথ দুর্ঘটনা রোধে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে চলেছে আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ এবং পরিবহণ দফতর। শুরু হয়েছে তৎপরতাও।১৯ নং জাতীয় সড়কে এক্সিডেন্ট প্রোন বা দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সেখানে গাড়ির গতি নিয়ন্ত্রণ, পরিকাঠামোগত উন্নয়ন এবং অন্যান্য নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।সোমবার বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্তের ডুবুরডিহি চেকপোস্ট এলাকায় যৌথ পরিদর্শন করা হয়েছে।













ছিলেন আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের ডিসিপি (ট্রাফিক) পি.ভি.জি. সতীশ সহ অন্য পুলিশ আধিকারিক , জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি এবং মোটর ভেহিকেলস (এমভিআই) বিভাগের আধিকারিকরা।এই প্রসঙ্গে পরে ডিসিপি (ট্রাফিক) পি.ভি.জি. সতীশ বলেন, ট্রাফিক গার্ড পুলিশ, হাইওয়ে অথরিটি এবং পরিবহণ দফতরের প্রতিনিধিরা যৌথভাবে জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশ পরিদর্শন করছেন। যেসব এলাকায় বারবার দুর্ঘটনা ঘটছে অথবা যেখানে পরিকাঠামোগত কিছু সমস্যা রয়েছে।
সেগুলি চিহ্নিত করে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে।অন্যদিকে, জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি প্রিয়াংশু সিং বলেন, দুর্ঘটনার সংখ্যা বেশি হওয়ায় সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে বিশেষ নজর দিয়ে কাজ শুরু হয়েছে। রাস্তায় নতুন সাইনেজ বসানো, যান চলাচল আরও সুগম করা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে। বরাকর-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই উদ্যোগ ধাপে ধাপে পশ্চিম বর্ধমান জেলার পানাগড় পর্যন্ত বিস্তৃত হতে পারে বলেও তিনি জানান।
পরিদর্শনের সময় ডুবুরডিহি চেকপোস্ট-সহ জাতীয় সড়কের একাধিক দুর্ঘটনাপ্রবণ এলাকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কোথায় কি ধরনের নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় সুপারিশও করা হয়েছে।প্রশাসনের দাবি, এই যৌথ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হল জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা এবং ভবিষ্যতে আরও নিরাপদ ও দুর্ঘটনামুক্ত সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তোলা।


