শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদ থেকে পদত্যাগ করলেন অসিত মন্ডল
বেঙ্গল মিরর, চরণ মুখার্জী, জামুড়িয়া , পশ্চিম বর্ধমান :-পঞ্চায়েত প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন অসিত মন্ডল। সোমবার বিকেল আনুমানিক চারটে নাগাদ লিখিতভাবে অসিত মন্ডল এই পদত্যাগ পত্র জামুরিয়া সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিকের হাতে তুলে দেন । রাজ্যে সরকারের পালা বদলের পর জামুরিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের আওতাধীন তৃণমূল পরিচালিত দশটি পঞ্চায়েতের মধ্যে এই প্রথম শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান অসিত মন্ডলসোমবার জামুরিয়া সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক দপ্তরে গিয়ে আধিকারিকের হাতে একটি ইস্তফা পত্র তুলে দেন।













যেখানে তিনি তার বয়স্ক মায়ের শারীরিক অসুস্থতা ও ব্যক্তিগত কিছু কারণ কে সামনে রেখে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ জনান।উল্লেখ্য যে, গত ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে জামুরিয়া বিধানসভা কেন্দ্রের শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পদে নির্বাচিত হন খোট্টাডিহি গ্ৰামেরই বাসিন্দা অসিত মন্ডল। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী এখনো দুবছর সেই প্রধান পদের মেয়াদ থাকলেও তিনি লিখিতভাবে নির্দিষ্ট দপ্তরে স্বেচ্ছায় পদত্যাগ পত্র জমা করেন। উনার এই পদত্যাগ সংক্রান্ত বিষয়ে উনাকে ফোন মারফত জানতে চাওয়া হলে উনি বিবৃতি দেন যে, রাজ্যে সরকারের পালা বদল হয়েছে।
২০১১ সালেও বামেদের পরিবর্তন করে তৃণমূলকে এনেছিল সাধারণ মানুষ। একটানা ১৫ বছর তৃণমূলের শাসন ছিল রাজ্যে। মানুষ তৃণমূল সরকারের নিশ্চয়ই কোন ভুল বুঝতে পেরেছে বলেই আজ পরিবর্তন করে আরও একটি নতুন সরকারকে এনেছে তাদের উন্নয়নের জন্য। তিনি বলেন ক্ষমতা ক্ষণস্থায়ী, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে একদিন না একদিন কাউকে তার জায়গা ত্যাগ করতে হয় অন্য কারোর জন্য । নতুন সরকারকে আমার অভিনন্দন, তারা মানুষের উন্নয়নকে সামনে রেখেই আগামী দিনে এগিয়ে যাবে। পরে তিনি জানান, ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনে শ্যামলা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান হিসেবে মানুষ আমাকে নির্বাচিত করেছিল। যতটা সম্ভব আমি মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করে গেছি। তবে বর্তমানে মেয়াদ উত্তীর্ণর আগেই আমি স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করলাম। এই পদত্যাগের কারণ কোন রাজনৈতিক চাপ বা সরকারের পালা বদল নয় বরং আমার বয়স্ক মায়ের শারীরিক অসুস্থতা ও পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত কিছু কারণে আজ আমি জামুড়িয়া সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক এর কাছে লিখিতভাবে আমার পদত্যাগ পত্র তুলে ধরেছি।


