দিনদুপুরে দেদার গাছ কাটার অভিযোগ ! চুরুলিয়ায় পুলিশের হাতে ধৃত একাধিক, বাজেয়াপ্ত মেশিন ও যন্ত্রপাতি
*বেঙ্গল মিরর, চুরুলিয়া ( জামুড়িয়া), রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* রাজ্যে পালাবদলের পর ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে গাছ চোরেরা। রাজনৈতিক মহলের একাংশের অভিযোগ, প্রশাসন যখন অন্যান্য বড় দুর্নীতির তদন্ত ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন সামলাতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সুযোগেই পুলিশের নজর এড়িয়ে অবাধে চলছে পরিবেশ ধ্বংসের এই খেলা। এবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোলের জামুড়িয়া থানার চুরুলিয়া পুলিশ আউট পোস্টের অন্তর্গত আনন্দপুর এলাকায় দিনের আলোয় মেশিন নিয়ে গাছ কাটার অভিযোগ উঠল এক নামী গাছ মাফিয়ার বিরুদ্ধে।স্থানীয় সূত্রে খবর, আনন্দপুর এলাকায় হাসিবুল নামক এক কুখ্যাত গাছ মাফিয়া কোনো রকম ভয়ডর ছাড়াই সাঙ্গপাঙ্গ এবং অত্যাধুনিক গাছ কাটার যন্ত্রপাতি নিয়ে একটি পুকুরের পাড়ে জড়ো হয় ।














সেখানে একের পর এক মূল্যবান গাছ কেটে সাফ করতে শুরু করে তারা। দিনের আলোয় এভাবে গাছ চুরির ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়।প্রশাসনের নজর এড়ালেও, এই পরিবেশ ধ্বংসের ঘটনা এড়াতে পারেনি স্থানীয় সামাজিক সংগঠন ‘মা তারা ফাউন্ডেশন’। সংগঠনের সদস্যরা গাছ চুরির বিষয়টি দেখতে পেয়ে তৎক্ষণাৎ রুখে দাঁড়ান এবং জামুড়িয়া থানার চুরুলিয়া পুলিশকে খবর দেন। খবর পেয়ে চুরুলিয়া আউট পোস্টের পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের গাড়ি দেখেই চম্পট দেওয়ার চেষ্টা করে গাছ চোরেরা।

তবে পুলিশ কয়েকজন গাছ চোরকে হাতেনাতে ধরে ফেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গাছ কাটার সমস্ত যন্ত্রপাতি ও মেশিন বাজেয়াপ্ত করেছে।এই কাজে ব্যবহৃত ৩টি মোটরবাইকও আটক করা হয়েছে। মা ফাউন্ডেশনের সদস্য রাহুল মণ্ডল দাবি করেন, এক মাস ধরে তিনি ও তার সংস্থার সদস্যরা দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করছে। তিনি বলেন, এই চোরদের পেছনে হাসিবুল নামে মাফিয়ার হাত রয়েছে।পুলিশ জানায়, বেশ কয়েকজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। গাছ কাটার মেশিন ও যন্ত্রপাতি আটক করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।


