আসানসোলে মাধ্যমিকের কৃতিকে ল্যাপটপ দিলো এনজিও ” জাগরণ “
বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* আমেরিকার ভার্জিনিয়া প্রদেশের কিছু সহৃদয় প্রবাসী ভারতীয়দের উদ্যোগে আসানসোলের কুলটির সীতারামপুরে গড়ে উঠা এনজিও ” জাগরণ “র তরফ থেকে এই বছরে আসানসোল ইস্টার্ন রেলওয়ে হায়ার সেকেন্ডারি স্কুলের মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রথম স্থানাধিকারী দেবজিৎ নায়েকের হাতে একটি অত্যাধুনিক ল্যাপটপ তুলে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আসানসোলের বারাবনিতে দেবজিতের বাড়িতে গিয়ে ল্যাপটপটি ” জাগরণ”র তরফ থেকে তুলে দেন সমাজকর্মী ও শিক্ষক বিশ্বনাথ মিত্র। তিনি বলেন, দেবজিতের পিতার আয় তেমন সন্তোষজনক না হওয়ার কারণে আমরা তার পাশে দাঁড়িয়েছি। যাতে তার উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে অর্থ বাধা না হয়ে পড়ে। আমেরিকা থেকে এই সংগঠনের অন্যতম মুখ ও আসানসোলের ভূমিপুত্র পল উপাধ্যায় বলেন, গত সাত বছর ধরে আমরা আসানসোলে বিভিন্ন ভাবে এইভাবে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি। দেবজিৎ সম্পর্কে আমরা খবর পাওয়ার পরে জাগরণের কয়েকজন সদস্য মিলে ওর পাশে দাঁড়াবো বলে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই মতো তাকে এদিন একটি ল্যাপটপ দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে দেবজিতের প্রতি মাসের গৃহশিক্ষক বা টিউশনের টাকা জাগরণ কিছুটা নিজেদের কাঁধে তুলে নেবে বলে জানালেন এই এনজিওর আরো এক সদস্য সুদীপ্ত রায়।














এদিকে দেবজিৎ স্বভাবতই খুশি, ল্যাপটপটি পেয়ে। দেবজিৎ বলে, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর বিজ্ঞান শিক্ষার জন্য বর্তমানে ল্যাপটপ খুবই অপরিহার্য। ঐ এনজিও সেই ল্যাপটপ আমাকে দেওয়ায়, তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। উল্লেখ্য, বারাবনির বাসিন্দা দেবজিতের বাবা সামান্য এক ব্যবসার সাথে যুক্ত রয়েছেন।এদিন জাগরণ পরিচালিত অবৈতনিক কোচিং সেন্টারের স্কুলের শিক্ষিকা রজনী দাস, কুলদীপ মাহাতো ও পড়ুয়ারা ছিলেন।


