ASANSOL

কাজ বন্ধ করে অবস্থান বিক্ষোভে আসানসোল জেলা হাসপাতালের অস্থায়ী কর্মীরা

বেতন বৃদ্ধি ও স্থায়ীকরণের দাবি , আশ্বাস সুপারের

বেঙ্গল মিরর, আসানসোল, রাজা বন্দোপাধ্যায়ঃ* বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ীকরণ ও পরিচয়পত্রের দাবিতে বুধবার সকাল থেকে কাজ বন্ধ করে আসানসোল জেলা হাসপাতালে অস্থায়ী কর্মীরা অবস্থান বিক্ষোভে বসেন। তারা তাদের দাবি লেখা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে হাসপাতালের এমারজেন্সি বিভাগের সামনে আন্দোলন করেন। তবে বিকেল সাড়ে পাঁচটার পরে সুপার ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাসের নির্দেশে সহকারী সুপার কঙ্কন রায় আন্দোলনকারী অস্থায়ী কর্মীদের ডেকে পাঠান। তিনি তাদের সঙ্গে গোটা বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। কাজে ফিরে, তাদের দাবি লিখিত ভাবে জমা দেওয়ার কথা ডেপুটি সুপার অস্থায়ী কর্মীদের বলেন। তিনি এও বলেন, তাদের দাবিগুলি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। এরপরে এদিনের মতো আন্দোলন প্রত্যাহার করে কাজে যোগ দেন অস্থায়ী কর্মীরা।

তাদের দাবি ছিলো , বর্তমানে তারা “নো ওয়ার্ক নো পে” এই শর্তে প্রত্যেকদিন ১৫০ টাকা দৈনিক মজুরির বিনিময়ে কাজ করতে হয়। হাসপাতালের হাউজকিপিং ছাড়াও বিভিন্ন বিভাগে তারা কর্মরত রয়েছেন। করোনার সময় এই ৩৭ জন অস্থায়ী কর্মী আসানসোল জেলা হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। হাসপাতালের আরকেএস বা রোগী কল্যান সমিতি থেকে এই ৩৭ জনকে দৈনিক মজুরি বা বেতন দেওয়া হয় বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে। এই প্রসঙ্গে সায়ন দাস ও ঝর্ণা বাউরি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমাদের ১৫০ টাকা দৈনিক মজুরিতে কাজ করানো হচ্ছে। এই টাকায় এখনকা বাজারে কি হয়? তাই আমরা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সহ একাধিক জায়গায় বেতন বৃদ্ধি দাবি করেছি। স্থায়ী করার কথা বলা হয়েছে। আমাদের কোন পরিচয়পত্র নেই। তা দেওয়ার কথাও বলছি। তারা আরো বলেন, কোনকিছুতে কর্ণপাত না করা হচ্ছে না। আমাদের অপমানিত করে তাড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। তাই আমরা বাধ্য হয়ে এদিন সকাল থেকে কাজ বন্ধ করে আন্দোলনে নামি।

সায়ন দাস বলেন, এদিন বিকেলে ডেপুটি সুপার আমাদেরকে ডেকে পাঠান ও কথা বলেন। তিনি আমাদেরকে কাজে ফিরে গিয়ে দাবি লিখিত ভাবে তা দিতে বলেন। আমরা আপাততঃ তাই করে কাজে যোগদান করেছি। এখন হাসপাতাল কতৃপক্ষ কি করেন। তারপরে আগামী দিনে সিদ্ধান্ত নেবো। এদিকে, সুপার ডাঃ নিখিল চন্দ্র দাস বলেন, গোটা বিষয়টি মিটে গেছে। সামান্য কিছু সমস্যা হয়েছিলো।

Social Share or Summarize with AI

News Editor

Mr. Chandan | Senior News Editor Profile Mr. Chandan is a highly respected and seasoned Senior News Editor who brings over two decades (20+ years) of distinguished experience in the print media industry to the Bengal Mirror team. His extensive expertise is instrumental in upholding our commitment to quality, accuracy, and the #ThinkPositive journalistic standard.

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *